সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় ইঙ্গিত। রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ঠিক কত শূন্যপদ পড়ে রয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ হিসাব চেয়ে রিপোর্ট তলব করেছে নবান্ন। ৩ জুনের মধ্যে সব দপ্তরকে ‘ভ্যাকেন্সি স্ট্যাটাস রিপোর্ট’ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যার জেরে নতুন করে বড় নিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
রাজ্য প্রশাসনের তরফে প্রকাশিত নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, প্রশাসনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করা এবং পরিষেবার মান উন্নত করার লক্ষ্যেই দীর্ঘদিন ধরে ফাঁকা থাকা পদগুলির বাস্তব চিত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই প্রতিটি সরকারি দপ্তরকে বিস্তারিত শূন্যপদের তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে।


নির্দেশ অনুযায়ী, শুধু মূল দপ্তর নয়— ডিরেক্টরেট অফিস এবং বিভিন্ন রিজিওনাল অফিসের জন্যও আলাদা করে রিপোর্ট তৈরি করতে হবে। কোথায় কত পদ খালি রয়েছে এবং কোন কোন শূন্যপদে নিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে, তা যুক্তিসহ তুলে ধরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যে সমস্ত শূন্যপদে নিয়োগের সুপারিশ করা হবে, সেগুলির প্রয়োজনীয়তা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে। অর্থাৎ শুধুমাত্র সংখ্যার হিসাব নয়, কেন ওই পদগুলি পূরণ জরুরি— সেটাও প্রশাসন জানতে চাইছে।
রিপোর্ট জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট পদ্ধতি বেঁধে দিয়েছে নবান্ন। সফট কপিতে এক্সেল স্প্রেডশিটের মাধ্যমে তথ্য পাঠাতে হবে এবং তার জন্য নির্দিষ্ট ফরম্যাট অনুসরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। রিপোর্ট পাঠানোর জন্য নির্দিষ্ট দুটি ই-মেল আইডিরও উল্লেখ রয়েছে সরকারি নির্দেশে।


এই পদক্ষেপকে প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন নিয়োগের ঘোষণা হয়নি, তবে শূন্যপদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগকে সম্ভাব্য নিয়োগ প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বলেই মনে করা হচ্ছে।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



