রাজ্যে ডিস্টার্বড এরিয়াস অ্যাক্ট বা উপদ্রুত এলাকা আইন লাগুর দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজভবনের সামনের ধরনা মঞ্চ থেকে রবিবার তিনি বলেন, “আমরা ক্ষমতায় আসার জন্য ব্যস্ত নই। তবে আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি জানাব, রাষ্ট্রপতি শাসন নয়, বরং রাজ্যের বিরুদ্ধে উপদ্রুত এলাকা আইন লাগু করা হোক।”

পাশপাশি নির্বাচন সংক্রান্ত অভিযোগ লিপিবদ্ধ করতে সোমবার থেকে পোর্টাল খোলার কথাও ঘোষণা করলেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, লোকসভা ভোটে রাজ্যে অন্তত ৫০ লক্ষ হিন্দুকে ভোট দিতে দেয়নি তৃণমূল। তার পরেও ৩৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে বিজেপি। তিনি আরও বলেন, “কেউ মন্ত্রী – মুখ্যমন্ত্রী হতে চায় না। আমি স্রোতের বিরুদ্ধে লড়ি। ৫টা দফতর ছেড়ে দিয়ে পিসি ভাইপো কোম্পানির থেকে বাংলাকে বাঁচানোর জন্য বিজেপি করি। আমার কাছ থেকে কেউ কাড়েনি। আমি ফেলে দিয়ে উলটো দিকে হাঁটি। আমার জেলা যা দিয়েছে আমাকে আগামী দিনে বাংলা তা দেবে”।

শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, গত লোকসভা নির্বাচনে নতুন রণকৌশল নিয়েছে তৃণমূল। ৮৫ শতাংশ বুথে ইসসামিক মৌলবাদীদের প্রিসাইডিং আধিকারিক হিসাবে নিয়োগ করেছে তারা। তার সঙ্গে হিন্দুদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনে প্রায় ৫০ লক্ষ ও ৪ বিধানসভা উপ নির্বাচনে প্রায় ২ লক্ষ হিন্দুকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি।
পশ্চিমবঙ্গকে উপদ্রুত এলাকা ঘোষণা করুক কেন্দ্র, দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী

যেখানে হিন্দুরা সংখ্যালঘু সেখানে তাদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এদিন শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা রাষ্ট্রপতি শাসন চাই না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন বসে থাকুন। ওর কাছে কোনও টাকা নেই। তবে আমরা চাই মণিপুরের মত ডিস্টার্বড এরিয়াস অ্যাক্ট রাজ্যে লাগু করে গুন্ডাদের সোজা করুক কেন্দ্রীয় সরকার আর প্যারামিলিটারি। আমরা এর দাবি জানাব।”



