নজরবন্দি বুরোঃ বাংলায় আসন্ন ২১ এর বিধানসভা নির্বাচন। আর কয়েকদিনের মধ্যেই ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশিত হবে। তাঁর মধ্যেই বাংলা জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটকর্মীদের ট্রেনিং। আজ বুধবারই শুরু হচ্ছে প্রথম দফার প্রশিক্ষণ। কিন্তু তাঁর আগেই ভোটের ডিউটি থেকে অব্যাহতি চাইল একটি শিক্ষকদের সংগঠন। ভোটের প্রশিক্ষণ শুরু হওয়ার আগেই আজ বুধবার আদালতে গিয়ে ভোটের ডিউটি থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করল সরকারি, সরকার পোষিত এবং মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংগঠন।
আরও পড়ুনঃপুরোন পরিচিতি, দেখা হয়েছে! কথা হয়েছে… অন্যদল বলে পথে ঝগড়া করেননি কুণাল ঘোষ।
আদালত সূত্রে খবর, আগামী ১লা মার্চ বিচারক অনিরুদ্ধ বসুর এজলাসে হতে পারে এই মামলার শুনানি। রাজ্যের প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকাদের সংগঠন ‘advanced society for headmaster and headmistress’ এর তরফ থেকে তাঁদের অব্যাহতি চাওয়ার পিছনে কয়েকটি যুক্তিও দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের সম্পাদক চন্দন কুমার মাইতি জানিয়েছেন, এমনিতেই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সিঙ্গল ক্যাডার পোস্ট, তার ওপরে বিদ্যালয়ের সমস্ত দায়ভার থাকে তাঁদের ঘাড়েই। ভোটের ডিউটিতে গেলে সেই কদিন বিদ্যালয় গুলিতে অচলাবস্থা চলে। যেসব বিদ্যালয়ে ভোটের বুথ পড়ে সেখানেও কিছু জিনিস দেখভালের দরকার পড়ে।
এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন কয়েকটি ক্ষেত্রে ভোটের ডিউটিতে বৈষম্যও করা হয়েছে। সকল প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকা একই স্কেলের হওয়ার পরও তাঁদের আলাদা আলাদা ভাবে ভোটের ডিউটি দেওয়া হয়েছে। প্রাধান শিক্ষকের দাবি, অনেককেই ফাস্ট পোলিং এর ডিউটি দেওয়া হয়েছে। এইসবের ভিত্তিতে আজ প্রশিক্ষণ শুরু হয়ার আগেই আদালতে আবেদন করল প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকাদের ওই সংগঠন। আদালত গ্রহণ করেছে ওই মামলা। সম্ভবত আগামী ১লা মার্চ হতে চলেছে ওই মামলার শুনানি।
অন্যদিকে ভোটের ডিউটি করার আগে যে ট্রেনিং হয়। সেই ট্রেনিং ঘিরে শুরু হয়েছে অচলাবস্থা। একাধিক জায়গায় মিল অর্থাৎ খাওয়ার নিয়ে ট্রেনার এবং ভোট কর্মীদের মধ্যে বচসা হয় গতকাল। অভিযোগ ১৭০ টাকা সরকারি অ্যালোটমেন্ট থাকলেও যে খাওয়ার প্যাকেট দেওয়া হচ্ছে তাতে সাকুল্যে সামগ্রী রয়েছে মাত্র ১৮ টাকার। শিক্ষক সহ ভোট কর্মীদের প্রশ্ন বাকি ১৫২ টাকা যাচ্ছে কোথায়।



