পুরোন পরিচিতি, দেখা হয়েছে! কথা হয়েছে… অন্যদল বলে পথে ঝগড়া করেননি কুণাল ঘোষ।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: হোটেলে রুদ্ধদ্বার বৈঠক বাবুল – শুভেন্দুর সঙ্গে! গতকাল রাতে তৃনমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষকে নিয়ে শুরু হয়েছিল জোর চর্চা। বিষয় ছিল হোটেলে তিনি টানা ৪৫ মিনিট বৈঠক করেছেন বিজেপির নেতা বাবুল সুপ্রিয় এবং শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে। যে হারে বাংলার একেকটা দিন ঘটনাবহুল হয়ে উঠছে, তাতে সাধারণ মানুষ ভাবতেই পারছেন না কোনটা পূর্ব পরিকল্পিত, কোনটা বাস্তব আর কোনটা জাস্ট কো – ইনসিডেন্ট। রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। আর জনগণকে অবাক করেই বর্তমান শাসক দলের অনেকেই হঠাত করেই রাজ্যের জন্য কিছু করতে চাইছেন, আর নিজের দলে থেকে সেসব কাজ করতে পারছেন না মন খুলে, অগত্যা পদ্মবনের খোলা রাস্তা দিয়ে ঢুকে পড়ছেন। কেউ কেউ আবার বিজেপির নেতাদের সঙ্গে দেখা হয়ে যাওয়ায় পুরোন পরিচিতি, দেখা হয়েছে! কথা হয়েছে।।বলে পাশ কাটিয়ে থাকছেন নিজের দলেই

আর পড়ুনঃ কোকেন কান্ডের জের! ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে তোলা হচ্ছে রাকেশ পুত্র সহ ৪ জন কে

বাংলার মানুষ মোটমাট তালিকায় প্রায় নিত্যদিন সংযোজন করছেন নতুন নাম। কেউ কেউ হুট করে সকালে ঘুম থেকে উঠেই যাচ্ছেন, তো কেউ মাসের পর মাস জিইয়ে রাখছেন জল্পনা। জল্পনা কল্পনা নিয়েই ইতিমধ্যে একাধিক হেভিওয়েট শাসকদলকে ছেড়ে বিজেপি তে যোগ দিয়েছে। কাল পর্যন্ত যাঁরা ছিলেন সতীর্থ, অন্য দলে গিয়ে অবলীলায় তাঁদের নামে ব্যক্তিগত আক্রমণ করছেন।

আর এসবের মাঝেই জল্পনা ছড়িয়েছিল একটি মিনি বৈঠক নিয়ে। সূত্রের খবর ছিল, গতকাল প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে জয়নগরের একটি হোটেলে তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষের সঙ্গে বৈঠক করেন তৃণমূল ত্যাগ করা প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বাবুল সুপ্রিয়র সঙ্গে । প্রায় এক ঘন্টা কী কথা হল তা নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক জল্পনা।

অনেকেই কাল বলেছিলেন ফের এক নেতাকে দলে টানছে বিজেপি। এমনিতেও বিজেপির বিভিন্ন নেতৃত্ব সব মঞ্চ থেকে বলছেন নির্বাচনের আগে কর্যতই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের হয়ে ২৯৪ টি আসনে লড়তে হবে তাঁকে একাই। হুশিয়ারি দিচ্ছেন তাঁর দলের সকলেই চলে যাবেন বিজেপিতে। লক্ষ্য হবে একটাই “সোনার বাংলা” গড়া। আজকের ত্রিমুখী বৈঠকের পর সকলের মনে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি তালিকার পরবর্তী নাম কুণাল ঘোষ?

পুরোন পরিচিতি, দেখা হয়েছে! কথা হয়েছে। যদিও কুনাল ঘোষ একে কেবল কাকতালীয় সাক্ষাৎ বলে জানিয়েছিলেন কালই। আজ নিজের ফেসবুক পোস্টে কুণাল জানিয়েছেন, পথে ফিরতে গিয়ে যদি দেখা হয়ে যায়, তাহলে সভা মঞ্চের মত প্রকাশ্যে ঝগড়া করার পরিবর্তে তিনি সৌজন্য সাক্ষাতকে বেশি সমীচীন বলে মনে করেন। তিনি আরও বলেন কালকের সাক্ষাতের মধ্যে কোনো পরিকল্পিত বৈঠকের গল্প বা রাজনৈতিক তাৎপর্য নেই। তাঁরা বিজেপি। তিনি তৃণমূল। তাতে কখনো সৌজন্য বিনিময়ের পদ্ধতি শেষ হতে পারেনা। এবং নিজের বিবৃতির শেষে এও বলেন, তাঁর দলবদলের নিয়ে যাঁরা চিন্তিত, তাঁরা আপাতত ঘুমিয়ে পড়তে পারেন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন সকল জল্পনা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত