নজরবন্দি ব্যুরো: ফের নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হল মণিপুরে। কুকি ও মেইতেই জনগোষ্ঠীর মধ্যে শুক্রবার গভীর রাতে শুরু হয় গুলির লড়াই। এর জেরে মৃত্যু হয়েছে একজন কুকী গ্রাম রক্ষীর। নিখোঁজ বহু সংখ্যক মেইতেই গোষ্ঠীর মানুষ। এই সংঘর্ষের জেরে কুকিদের তরফে চুড়াচাঁদপুর জেলায় জরুরি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: চিনে রহস্যময় নিউমোনিয়ার বাড়বাড়ন্তি, আবার নতুন মহামারি হাতছানি!


স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার রাত দুটো নাগাদ বিষ্ণুপুর জেলার সীমানা পার করে মেইতেইদের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী জৌপি গ্রামের উপর চড়াও হয়। এই গ্রামটি মূলত কুকিদের গ্রাম। আক্রমণের পর মেইতেইদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান কুকি গ্রামরক্ষীরা। দু’পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে গুলির লড়াই।

এতে নিহত হয়েছেন খুপমিংথাং নামে এক কুকি গ্রামরক্ষী। এরপরেও জৌপি গ্রামে আগুন লাগিয়ে দিতে চেয়েছিল সশস্ত্র মেইতেই বাহিনী। কিন্তু কুকিদের বাধা পেয়ে শেষ পর্যন্ত গ্রামে আগুন না লাগিয়েই ফিরে যেতে হয় তাঁদের। তবে, বেশ কিছু মেইতেই হানাদারের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।



দিন কয়েক আগে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহকে একটি ভিডিয়োতে বলতে শোনা যায়, “আমি ১০ বছর আগেই জানতাম, এই সংঘর্ষ হবেই। তাই রাজ্য ও মেইতেইদের বাঁচাতেই আমি ভোট রাজনীতিতে নামি।’’ এরপরই কুকিদের যৌথ মঞ্চ আইটিএলএফ প্রতিবাদে নামে এবং তাঁদের অভিযোগ, কেবলমাত্র একটি গোষ্ঠীকে বাঁচাতে চাইছেন বীরেন, মুখ্যমন্ত্রী পদের যোগ্য কাজ করছেন না।
মণিপুরে নতুন করে সংঘর্ষ, নিহত ১ কুকি গ্রামরক্ষী, নিখোঁজ বহু মেইতেই
আইটিএলএফ-এর বক্তব্য, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর মতো সাংবিধানিক পদে থাকা কারও দায়িত্ব রাজ্যের সকলের সমান ভাবে দেখভাল করা, রক্ষা করা। কিন্তু বীরেন সরাসরি একটি গোষ্ঠীকে রক্ষা ও অন্য গোষ্ঠীকে ধ্বংস করতে সচেষ্ট। এমন লোককে অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরানো উচিত।’’








