দীর্ঘ ১০ বছর পর কেরলে ফের ক্ষমতায় ফিরল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জোট। সোমবার তিরুঅনন্তপুরমের সেন্ট্রাল স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ভিডি সতীশন। তাঁর সঙ্গে শপথ নেন মন্ত্রিসভার আরও ২০ জন সদস্য। রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকর। তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও ছিল বাড়তি আগ্রহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। পাশাপাশি ছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, ওয়েনাড়ের সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে।


রাজনৈতিক সৌজন্যের বার্তা দিয়ে শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল রাজীব চন্দ্রশেখরকেও। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। নতুন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ভূমিকায় দেখা যাবে পিনারাই বিজয়নকে।
সদ্য সমাপ্ত কেরল বিধানসভা নির্বাচনে ১৪০টির মধ্যে ১০২টি আসনে জয় পেয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জোট। অন্যদিকে সিপিএম নেতৃত্বাধীন এলডিএফ জোট পেয়েছে ৩৫টি আসন। ফল প্রকাশের ১০ দিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ্যমন্ত্রী পদে সতীশনের নাম ঘোষণা করে কংগ্রেস।
গত পাঁচ বছর ধরে কেরল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ছিলেন সতীশন। ২০২১ সালের ভরাডুবির পর দলকে নতুনভাবে সংগঠিত করে ঘুরে দাঁড়ানোর কৃতিত্বও তাঁর ঝুলিতেই গিয়েছে বলে কংগ্রেসের অন্দরমহলের একাংশের মত।


তবে মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরে জোর টানাপোড়েনও ছিল। সতীশনের পাশাপাশি দৌড়ে ছিলেন কে সি বেণুগোপাল এবং বর্ষীয়ান নেতা রমেশ চেন্নিতালা। শেষ পর্যন্ত বিধায়কদের বড় অংশ সতীশনের পক্ষেই মত দেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেরলে কংগ্রেসের এই প্রত্যাবর্তন শুধু রাজ্যের রাজনীতিতেই নয়, জাতীয় স্তরেও বিরোধী রাজনীতির জন্য বড় বার্তা হয়ে উঠতে পারে।







