নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভয়াবহ দুর্যোগের কবলে দেবভূমি উত্তরাখণ্ড। একটানা বৃষ্টির জেরে কার্যত বিপর্যস্ত এই রাজ্য।গত দু’দিনের বৃষ্টি এবং তার কারণে একের পর এক দুর্ঘটনায় উত্তরাখণ্ডে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের। ঘণ্টায় ঘণ্টায় ক্রমশ বেড়ে চলেছে মৃত্যুমিছিলের খবর। একাধিক জায়গার পরিস্থিতি ঘিরে ক্রমশ বাড়ছে উদ্বেগ। পুজোর ছুটিতে বেড়াতে গিয়ে আটকে রয়েছেন হাজার হাজার বাঙালি পর্যটক।
আরও পড়ুনঃ আমরা কি বাংলাদেশকে ভয় পাচ্ছি? মোদির ‘নীরবতা’ নিয়ে সরব বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম!


শেষ পাওয়া খবর জানাচ্ছে, মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের। যার মধ্যে বেশিরভাগই নৈনিতাল এলাকায়। উত্তরাখণ্ডের ডিজিপি অশোক কুমার সংবাদসংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন, ‘এখনও পর্যন্ত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেশিরভাগই মৃত্যুই হয়েছে নৈনিতাল এলাকায়।’ উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামি জানান, ‘বিপর্যস্ত এলাকাগুলি থেকে পর্যটকদের সরিয়ে আনতে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে সেনা পাঠানো হচ্ছে।’ তিনি আপাতত চার ধাম যাত্রা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

মূলত উত্তরাখণ্ডকে দু’টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়, গাড়োয়াল এবং কুমায়ুন। বুধবার রাজ্যের ডিআইজি জানিয়েছেন, বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উত্তরাখণ্ডের কুমায়ুন অঞ্চল। ধস নেমে কুমায়ুনের পর্যটন ক্ষেত্র নৈনিতালের সঙ্গে যোগাযোগের সব রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বৃষ্টি সংক্রান্ত দুর্ঘটনাও সবচেয়ে বেশি ঘটেছে নৈনিতালেই। যার ফলেই সব থেকে বেশি মৃত্যুও ঘটেছে নৈনিতালে।


ভয়াবহ দুর্যোগের কবলে দেবভূমি, মৃত্যু বেড়ে ৫৬, আটক বাংলার বহু পর্যটক

ভয়াবহ বৃষ্টিতে হলদওয়ানিতে গাউলা নদীর জলে ভেসে গেছে সেতু। নৈনিতাল লেকের জলে ধুয়ে গেছে রাস্তা। উত্তরাখণ্ডের বিভিন্ন এলাকায় আটকে পড়েছেন হাজার হাজার পর্যটক, যার মধ্যে রয়েছেন বাংলার অনেকেই। সবাই চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। এদিকে দুর্যোগে মৃতদের পরিবারকে বুধবার একককালীন চার লক্ষ টাকা করে অর্থ সাহায্যের ঘোষণা করেছে উত্তরাখণ্ড সরকার। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং ভারতীয় সেনা বাহিনী এলাকায় উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১৫টি দল কাজে নেমেছে।









