নজরবন্দি ব্যুরোঃ এক বছর আগে বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে তৃতীয়বার জয়লাভ করেছিল তৃণমূল। সরকার গঠনের কিছুদিন আগেই নবান্নে জরুরী বৈঠক। সরকারী প্রকল্পগুলির কাজ কতদুর? তা নিয়ে সোমবার আলোচনা হবে রাজ্যের সচিবালয়ে। বিকেল সাড়ে চাওটে নাগাদ হবে বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা সমস্ত জেলাশাসকদের।
আরও পড়ুনঃ Horoscope Today: ১২ রাশির এই সপ্তাহে কেমন যাবে ভালো না খারাপ, জেনে নিন সাপ্তাহিক রাশিফল


সরকার গঠনের একাদশতম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছে তৃণমূল। ৫ মে থেকে ২০ মে অবধি সমস্ত সরকারী প্রকল্পগুলির প্রচারে নামবে ঘাসফুল শিবির। এদিন মুখ্যসচিব এবং অর্থসচিবের নেতৃত্বে হবে বৈঠক। আগামী দিনে দুয়ারে সরকার এবং পাড়ায় সমাধান প্রকল্পগুলি নিয়ে গাইডলাইন দেওয়ার কথাও রয়েছে এদিনের বৈঠকে।

গত সপ্তাহেই নবান্নে সমস্ত প্রশাসনিক আধিকারিক নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী সেই বৈঠকে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, আগামী দিনে সমস্ত জনমুখী প্রকল্পগুলির প্রচার মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। ব্লকে ব্লকে চলবে প্রচার। সোমবারের বৈঠকে তা নিয়েও হবে আলোচনা।


গত দু’টি ‘দুয়ারে সরকার’-এ ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এ নাম নথিভুক্ত করার জন্য পৃথক বন্দোবস্ত ছিল। ফলে সেই প্রকল্প-সহ স্বাস্থ্যসাথী, নতুন কৃষকবন্ধু ইত্যাদি প্রকল্পে বেশিরভাগ উপভোক্তার নাম নথিভুক্ত হয়েছে। তাই এ বার হয়তো ‘দুয়ারে সরকার’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাবে তৃণমূল সরকারের সাফল্যের প্রচার কর্মসূচি। পরিকল্পনা রয়েছে, ব্লক-পুরসভা পর্যায় পর্যন্ত সরকারের এত দিনের পদক্ষেপের প্রচার হবে। সঙ্গে, বিভিন্ন দফতর এবং প্রকল্পগুলির কার্যকারিতাও তুলে ধরতে চাইবে সরকার।
সরকারী প্রকল্পগুলির কাজ কতদুর? বৈঠকে নবান্ন

প্রশাসন সূত্রে খবর, সরকারের সবচেয়ে বড় প্রকল্পগুলির অন্যতম স্বাস্থ্যসাথী। সেই প্রকল্পের আওতায় প্রায় সব যোগ্য উপভোক্তাকেই আনা হয়েছে। অন্য বড় তথা খুবই খরচসাপেক্ষ প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এ এ পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৭৫ লক্ষ মহিলা উপভোক্তা নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছেন। বছরে এই বাবদ প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ভার নিতে হচ্ছে সরকারকে।








