নজরবন্দি ব্যুরোঃ উচ্চ-প্রাথমিক নিয়োগে ফের বেনিয়ম? গত ১১ই ডিসেম্বর উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য। স্বজনপোষন ও দুর্নীতির অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল উচ্চ প্রাথমিকের পরীক্ষার্থীদের একাংশ। সেই মামলাতেই রায় শোনান বিচারপতি। রাজ্য সরকার কে নির্দেশ দেন ২০২১ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু করতে হবে। পাশাপাশি ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সেইমত যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে মাঠে নামে স্কুল সার্ভিস কমিশন। চাকরিপ্রার্থীদের নথি যাচাই বা ভেরিফিকেশন শুরু হয় ৪ জানুয়ারি থেকে।
আরও পড়ুনঃ লক্ষ্য শিক্ষা-স্বাস্থ্য-শক্তি, ৮ বছর ধরে মানুষের যত্ন নিচ্ছে ‘প্রযত্ন ফাউন্ডেশন’
নথি অনলাইনে জমা নেওয়া হয় ২০ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। কিন্তু তারপরই যে থমকে গেছে প্রক্রিয়া! কারণ গত ১১ই ডিসেম্বর(২০২০) কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য WPA 9597 of 2019 মামলা তে আরও একটি নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশ অনুযায়ী ১০ই মে ২০২১ সালের মধ্যে ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশ কথা ছিল স্কুল সার্ভিস কমিশনের। কিন্তু ১০ই মে পেরিয়ে গেলেই প্রকাশিত হয়নি ইন্টারভিউ লিস্ট। পরে ১৯ তারিখে কমিশন ঘোষণা করে ২১ তারিখে ইন্টারভিউ লিস্ট প্রকাশের কথা।
সেইমত আজ প্রকাশিত হয়েছে ইন্টারভিউ লিস্ট। কিন্তু সেই লিস্ট ঘিরে আবার অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউ লিস্টে কারচুপির কথা উল্লেখ করে আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, প্রকাশিত তালিকা সম্পুর্ণ বেআইনি। বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য যে নির্দেশিকা দিয়েছিলেন তা মানেনি কমিশন। বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, নামের তালিকা প্রকাশ করার পাশাপাশি প্রাপ্ত নাম্বার উল্লেখ করতে হবে। কিন্তু তা করেনি কমিশন। যা স্বজনপোষন ও দুর্নীতির অভিযোগ মুক্ত নয়।
এই খবর প্রকাশিত হয় নজরবন্দি পোর্টালে। মুহুর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। প্রশ্ন উঠতে থাকে তাহলে কি ফের সংশয়ের মুখে পড়তে চলেছে উচ্চ-প্রাথমিকের নিয়োগ? উচ্চ-প্রাথমিক নিয়োগে ফের বেনিয়ম? সম্ভবত না। কারন স্কুল সার্ভিস কমিশন নোটিশ জারির সাথে একটি হেল্পলাইন নাম্বার দিয়ে জানিয়েছে, কোন চাকরিপ্রার্থী যদি মনে করেন তিনি যোগ্য অথচ ইন্টারভিউ লিস্টে তাঁর নাম নেই তাহলে তিনি কমিশনের হেল্প লাইনে যোগাযোগ করতে পারেন। নাম্বারটি হলঃ ৯০৫১১ ৭৪৭০০ এবং ৯০৫১১ ৭৬৫০০



