নজরবন্দি ব্যুরোঃ বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশের পরেই একের পর এক এলাকা দখল করে চলেছে রুশ সেনা। শুক্রবার উত্তর-পূর্ব সীমান্ত দিয়ে রাজধানী কিয়েভের দিকে ধেয়ে আসছে রুশ সেনা। তাই তিনটি ব্রিজ উড়িয়ে দিল ইউক্রেন। শুক্রবার এমনটাই জানালেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রাক্তন মুখপাত্র ইউলিয়া মেণ্ডেল।
আরও পড়ুনঃ যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেন থেকে ঘরে ফিরলেন শিলিগুড়ির বিতান, স্বস্তি পরিবারের


ইতিমধ্যেই কিয়েভ শহরের খুব কাছাকাছি এলাকায় উপস্থিত হয়েছে রুশ সেনা। ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলিনিস্কি জানিয়েছেন, কিয়েভ সীমান্তে উপস্থিত হয়েছে রুশ সেনা। শহরের একাধিক প্রান্তে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে রুশ সেনাকে প্রতিহত করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন।
রাশিয়ার সঙ্গে সমস্ত অর্থনৈতিক বিচ্ছেদ এনেছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন। পাল্টা ইউরোপের সমস্ত দেশ থেকে বিমান পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেন ছেড়ে পোল্যান্ডের দিকে যেতে শুরু করেছে সাধারণ মানুষ। পোল্যান্ড সরকারের তরফে ট্রেন স্টেশনগুলিতে রিফিউজি ক্যাম্প গঠন করা হয়েছে।


সংবাদসংস্থা এএফপি সূত্রে খবর, শুক্রবার সকালেই রাজধানী কিয়েভে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ধীরে ধীরে কিয়েভের ভিতরে প্রবেশ করছে রুশ আর্মি। মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান রয়েছে তাঁদের। ইউক্রেনের তরফে দাবী করা হচ্ছে সাধারণ মানুষের ওপর আঘাত আনছে রাশিয়া। কিন্তু নিজেদের ফেসবুক পেজে অন্য বার্তা দিচ্ছে রাশিয়া।
রাজধানী কিয়েভের দিকে ধেয়ে আসছে রুশ সেনা, সতর্কবার্তা জেলিনিস্কির
ঘটনায় ১৩৭ জন ইউক্রেনবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের কোনও দেশে এটি সবচেয়ে বড় হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার কিয়েভ দখলের মুখে রাশিয়া। সকলকে কার্ফু মেনে চলার নির্দেশ প্রেসিডেন্ট জেলিনিস্কির।







