নজরবন্দি ব্যুরোঃ ত্রিপুরায় আক্রান্ত TMC! ঘাসফুল শিবির বলছে গণতন্ত্র বিপন্ন-নিহত বিপ্লব জামানায়। বিপ্লবের গড়ে অভিষেকের গাড়ির ওপর হামলার পরেই সাংবাদিক বৈঠকে খোদ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুর চড়িয়েছিলেন পড়শি রাজ্যের গণতন্ত্র নিয়ে।সেই রেশ কাটার আগেই গত পরশু রাতে ত্রিপুরায় আক্রান্ত হন তৃণমূলের যুব নেতারা।
আরও পড়ুনঃ SSKM-এ ভর্তি সুদীপ-জয়া, চিকিৎসা করিয়ে ফের পাড়ি দেবেন বিপ্লবের রাজ্যে
শনিবার যুব নেতা সুদীপ রাহার গাড়ির ওপর হামলা চলে, আক্রান্ত হন তিনি সহ আরও দুই যুবনেতা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয় বিপ্লবের গড়ে। বেলায় বেলায় বিক্ষোভ আন্দোলনের পর রবিবার ভোররাতে সুদীপ-দেবাংশু সহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে ত্রিপুরা পুলিশ।
তার পরেই ফের আসরে নামেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সাত সকালেই ত্রিপুরায় গিয়ে টানা ৩ ঘন্টা বসে থেকে যুক্তি তক্কোর সাওয়াল জবাব দিয়ে ছাড়িয়ে আনেন দলের যুবনেতাদের। এনেই চিকিৎসার জন্য এসএসকেএমএ ভর্তি করা হয়েছে সুদীপ-জয়াকে।
ত্রিপুরায় আক্রান্ত TMC! সাংবাদিক বৈঠক করে ত্রিপুরার পরিস্থিতি নিয়ে বারবার ক্ষোভ উগরে দিয়েছে তৃণমূল। এবার প্রতিবাদের আঁচ দিল্লিতেও। বাংলার নেতারা ত্রিপুরায় গিয়ে আক্রান্ত হওয়ার প্রতিবাদে দিল্লিতে গান্ধী মুর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তৃণমূলের সাংসদরা।
ত্রিপুরায় আক্রান্ত TMC! কেন্দ্রের স্পষ্ট মদত দেখতে ঘাসফুল শিবির।
তৃণমুলের দাবি ত্রিপুরায় ঘটা এই ঘটনায় মদত রয়েছে কেন্দ্রের। সেই কারণেই আজ অধিবেশন শুরুর আগেই গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ দেখান কল্যাণ-সৌগত সহ বাকি তৃণমূল সাংসদরা। সূত্রের খবর সংসদেও তাঁরা সোচ্চার হবেন এই বিষয়ে।

ত্রিপুরায় আক্রান্ত TMC! ঘটনার প্রতিবাদে তৃণমূল আওয়াজ ওঠালেও পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। গতকাল রাতেই একটি ট্যুইট করে তিনি লেখেন, ‘কিছু দল যারা ত্রিপুরায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে, তারা উন্নয়নের নিরিখে অনেকাংশেই ত্রিপুরা থেকে পিছিয়ে। রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি নয়, বরং রাজ্যের সর্বাঙ্গীন বিকাশই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের নিরিখে ত্রিপুরা আজ গোটা দেশে নজির তৈরী করছে।’
এদিকে আক্রান্তদের SSKM এ দেখতে গিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন অমিত শাহের নির্দেশেই ঘটছে একের পর এক হামলা। উডবার্ণ ওয়ার্ডে আক্রান্তদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বেরিয়ে মমতা বলেন, ‘‘আমি বিশ্বাস করি, এ সবই হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমিত শাহের নির্দেশে। তা না হলে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর অত সাহস হতে পারে না।’’



