নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিধানসভা ভোটের আগেই জনসংযোগ বাড়াতে গত দশবছরের কাজের খতিয়ান তুলে ধরতেই প্রকাশিত হল তৃণমূল কংগ্রেসের রিপোর্ট কার্ড। শুক্রবার থেকেই রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভায় মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে এই রিপোর্ট কার্ড। রাজ্যের মানুষ গত দশ বছরের মধ্যে সরকারি প্রকল্পের যা যা সুবিধা পেয়েছেন তা এই রিপোর্ট কার্ডে তুলে ধরা হয়েছে।


এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায়, মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ইন্দ্রনীল সেন সহ দলের অন্যান্য নেতারা। এদিন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যাইয়ের হাত দিয়েই প্রকাশিত হল এই রিপোর্ট কার্ড। এবিষয়ে দলের মহাসচিব ও রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এই সরকার ১০ বছরের মধ্যে ৮ বছর কাজ করার সুযোগ পেয়েছে। করোনার জন্যে এক বছর, উপনির্বাচনের জন্যে বাকি ১ বছর কাজ করা সম্ভব হয়নি।
তাও সরকার সমস্ত রকম ভাবে মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছে। আর সেই কাজের খতিয়ান নিয়েই মানুষের দোরগোড়ায় এবার পৌছবে তৃণমূল কংগ্রেস।“ গত দশবছর ধরে তৃণ্মুল সরকার কি কি কাজ করেছে তাঁর সমস্ততাই এই রিপোর্টের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। যাকে এদিন সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায় বলেন, “এটা আসলে শ্বেতপত্র। ‘দিদিকে বলো’, ‘বাংলার গর্ব মমতা’র পরে চালু হচ্ছে নয়া প্রকল্প ‘বঙ্গধ্বনি’। যার মাধ্যমে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছবেন জনপ্রতিনিধি থেকে সাংগঠনিক পদের ব্যক্তিরা।
তারাই মানুষের কাছে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে দেবেন। সেই উন্নয়নের চেহারাই প্রকাশ পাবে এই রিপোর্ট কার্ড পেশের মাধ্যমে।“ গত ১০ বছরে রাস্তা থেকে পানীয় জল থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ এবং স্বাস্থ্যসাথীর মতো বিশেষ সুবিধাও এনেছে রাজ্য সরকার। এছাড়াও রাজ্যসরকারের উন্নয়ন ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একাধিক বার আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধি দল।


২১শের বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ আস্থা রাখবে সেই উন্নয়নের উপরেই। তাই আজ থেকেই এই প্রচারে কোমর বেঁধে নেমে পড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে সাংবাদিক সম্মেলন এবং মিছিল করে শুরু হবে। আগামী ১০ দিনে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে তিন থেকে পাঁচটি দল যাত্রা শুরু করবে ।







