নজরবন্দি ব্যুরো: বাংলায় বর্ষা ঢুকে গিয়েছে। বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। এই সময়ে সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে যায় অনেকেই। সমুদ্রে ঢেউয়ের ওঠা পড়া দেখতে চাইবেন। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি মাথায় নিয়ে সমুদ্রের জলে স্নান করায় ইচ্ছা তো অনেকেরই হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ভিড় বাড়বে দীঘা, পুরী, মন্দারমণির মত সমুদ্র সৈকত গুলিতে। কিন্তু সমুদ্রহীন সৈকতের নাম শুনেছেন কখনও? এমন আবার হয় নাকি? এই প্রশ্নই মাথায় ঘুরছে তো? আজ রইল সেই জায়গার খোঁজ, যেখানে সৈকত আছে কিন্তু সমুদ্র নেই।
আরও পড়ুন: উইকেন্ডে কোনও প্ল্যান নেই! কলকাতার কাছে এই জায়গাগুলি ঘুরে যেতে পারেন
আজকের গন্তব্য উত্তরপ্রদেশের চুকা বিচ। যাকে সমুদ্রহীন সৈকত বলা হয়। পর্যটন মানচিত্রে এখনও তেমন জনপ্রিয় না হওয়ায় গুটি কয়েক মানুষ এই জায়গার সম্বন্ধে জানেন। চুকা বিচ হল পিলিভিট ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রের অন্তর্গত একটি জলাধারের সৈকত। মাহফ অরণ্য এলাকায় শারদা সাগর ড্যাম এবং নেপাল থেকে উত্তরপ্রদেশ সীমানা পেরিয়ে আসা শারদা ক্যানালের মধ্যবর্তী অঞ্চলে এই বিচ গড়ে উঠেছে। জলাধারের গা ঘেঁষে রয়েছে সবুজে ঘেরা অরণ্য এবং তটভূমি। অফবিট ডেস্টিনেশনের খোঁজ করেন যারা তাঁদের জন্য এটি আদর্শ স্থান।

এখানে দেখা যাবে নানা প্রজাতির পাখি। ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রের অন্তর্গত হওয়ায় দক্ষিণরায়ের দেখা পেতে পারেন। জঙ্গল সাফারির সুযোগ রয়েছে। নেহেরু পার্ক থেকে ঘুরে আসতে পারেন। অজস্র বন্যপ্রাণী দেখতে পাবেন। উত্তরপ্রদেশ সরকার এই জায়গাটিকে পর্যটকদের জন্য আরও জনপ্রিয় করে তুলতে উদ্যোগী হয়েছে। বিভিন্ন পন্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

চুকা বিচে রাত্রিবাসের জন্য সুব্যবস্থা রয়েছে। সরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে ইকো হাট। এখানে একাধিক খড়ের চালের কুড়েঘর রয়েছে। ট্রি হাউজে থাকতে পারেন। এছাড়াও রয়েছে কয়েকটি হোমস্টে এবং ছোট হোটেল। পিলিভিট রেলপথের মাধ্যমে পৌঁছে যেতে পারেন চুকা বিচে। সড়কপথে পিলিভিট হয়ে সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করতে পারেন।
সমুদ্রহীন সৈকত! এমন আবার হয় নাকি? একবার নিজেই ঘুরে আসুন




