নজরবন্দি ব্যুরো: সারা সপ্তাহ একঘেয়ে রুটিনেই তো চলে। তারপর আসে এক দুদিনের ছুটি। দূরে কোথাও ঘুরতে যেতে চাইলেও আবার ব্যস্ততার কারণে যাওয়া হয়ে ওঠে না। এদিকে সপ্তাহশেষে ঘরে বসে থাকতেও মন চায় না। কিন্তু যাবেন কোথায়? আজ রইল এমনই কয়েকটি জায়গার খোঁজ। কলকাতার কাছেই রয়েছে এই ঠিকানাগুলি। কম খরচে একদিনেই ঘুরে চলে আসতে পারবেন।
আরও পড়ুন: দার্জিলিং এখন একঘেয়ে, গরম থেকে পালিয়ে ঘুরে আসুন এই পাহাড়ি গ্রাম
রায়চক
ভাগীরথী-হুগলি নদীর গা ঘেঁষে থাকা একটি আদর্শ পিকনিক স্পট। গঙ্গার ধারে বসে শান্ত শীতল হাওয়া গায়ে মেখে সারাদিন কাটিয়ে দিতে পারেন। এখানে এলে ডায়মন্ড হারবার, লাইট হাউজ, জয়নগর, রামকৃষ্ণ মিশন ঘুরে আসতে পারেন। তবে এসবের মাঝে রায়চক দূর্গ এবং চিংড়িখালি দূর্গ ভুললে চলবে না। কলকাতা থেকে মাত্র ৫৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রায়চক।

মায়াপুর
নদিয়া জেলায় অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবেই পরিচিত। গঙ্গা এবং জলঙ্গী নদীর তীরে অবস্থিত মায়াপুর বৈষ্ণব হিন্দুদের একটি পবিত্র তীর্থস্থান। কলকাতা থেকে মাত্র ১২৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এটি। সড়কপথে এবং রেলপথে সহজেই পৌঁছে যেতে পারবেন। এখানকার প্রধান আকর্ষণ শ্রী দেবানন্দ গৌড়ীয় মঠ, যোগী পিঠ, ইসকনের মন্দির, শ্রী চৈতন্য মঠ, চাঁদ কাজীর সমাধি। সন্ধ্যেবেলা নৌকোবিহার করে চারিদিকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

বিষ্ণুপুর
পশ্চিমবঙ্গের পর্যটনকেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম বিষ্ণুপুর। বাঁকুড়ার এই স্থানের তিনটি জিনিস প্রসিদ্ধ। সেগুলি হল শাড়ি, টেরাকোটা এবং সঙ্গীত। দশম মল্লরাজ জগৎ মল্ল তাঁর রাজ্য স্থানান্তরিত করেছিলেন বিষ্ণুপুরে। ঐতিহাসিক দিক থেকেও এই জায়গা গুরুত্বপূর্ণ। বিষ্ণুপুরের মাটি দিয়েই টেরাকোটার শিল্প গড়ে উঠেছিল এখানে, যা এখন কার্যত জগৎ প্রসিদ্ধ। বিষ্ণুপুরের অন্যতম আকর্ষণীয় দর্শনমূলক স্থান হল রাসমঞ্চ। রাজা হাম্বীর ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সপ্তাহান্তে ছুটি কাটাতে চাইলে কলকাতা থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বিষ্ণুপুরে চলে আসতে পারেন।
উইকেন্ডে কোনও প্ল্যান নেই! কলকাতার কাছে এই জায়গাগুলি ঘুরে যেতে পারেন




