কলকাতার বুকে আজ লাল ঝড়। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ আসছে ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে। অপেক্ষা কিছুক্ষণের। তবে ব্রিগেড হোক বা সমাবেশ, খাবারের আয়োজন কী হবে সেদিকেও নজর থাকে। বাংলার শাসক দল তৃণমূলের শহীদ সমাবেশের রান্নার আয়োজন অন্যতম চর্চিত বিষয়। উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের জন্য ঢালাও ডিম ভাতের ব্যবস্থা করা হয়। আজকের ব্রিগেডের মেনু (Food Menu at Brigade) কী? শোনা যাচ্ছে, কর্মীদের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে চিকেন-ভাত, রুটি-ডিমকষা, রুটি-আলুভাজার। খাবারে এমন বৈচিত্র্য কেন?



আরও পড়ুন: বাংলার আইনশৃঙ্খলা তলানিতে, রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ সুকান্তর, বোসের হস্তক্ষেপ চেয়ে দিলেন চিঠি
সূত্রে খবর, ব্রিগেডে যোগ দিতে আসা নেতা-কর্মীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করছে সিপিএমের কলকাতা জেলা কমিটির এক একটি এরিয়া কমিটি। প্রতিটি এরিয়া কমিটি প্যাকেটে করে খাবার পাঠিয়েছে বলে জানা যায়। তবে সব এরিয়া কমিটিগুলি একই খাবার পাঠায়নি। কোনও কমিটির পাঠানো খাবারের প্যাকেটে রয়েছে চিকেন ভাত, কোনও প্যাকেটে রুটি-আলুভাজা, আবার কোনও প্যাকেটে রুটি তরকা কিংবা রুটি ডিম কষা।



ব্রিগেডে যোগ দিতে বিভিন্ন জেলা থেকে বাসে করে আসছেন বাম কর্মী-সমর্থকরা। তাঁদের অনেকে আবার সাথে করে রান্নার জিনিস নিয়ে এসেছেন। জায়গা খুঁজে নিজেরাই রান্না করে ফেলছেন। মূলত জেলা কমিটিগুলিই এই আয়োজন করেছে।
ডিম-ভাতকে টক্কর বাম ব্রিগেডের? চিকেন-ভাত, রুটি-আলুভাজা, বিভাজনের ছাপ মেনুতে

বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৭ টি মিছিল আসবে ব্রিগেডে। ৫০ দিনের ইনসাফ যাত্রার পর ব্রিগেডে শক্তি প্রদর্শন করবে সিপিএমের যুব সংগঠন। ব্রিগেড সমাবেশের মূল মঞ্চটি ৩২ ফুট দীর্ঘ ও ২৪ ফুট চওড়া। এখানেই বক্তব্য রাখবেন নেতা-নেত্রীরা। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, DYFI-এর রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, SFI-এর রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য সহ অনেকেই উপস্থিত থাকবেন। শনিবার রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করেন ব্রিগেডের ‘ক্যাপ্টেন’ মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য জানিয়েছেন ব্রিগেড ভালো হবে, বড় ব্রিগেড হবে।’







