আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই আরজি কর-কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানি শুরু হল সুপ্রিম কোর্টে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি শুরু হয়। আজ মামলার শুরু থেকেই একাধিক প্রশ্নের মুখে পরে রাজ্য। বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের অনুরোধ আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসক দের আন্দোলন প্রত্যাহার করার। তাঁদের দাবি এর ফলে বহু সাধারণ মানুষ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।
এদিন প্রথম থেকেই সুপ্রিম কোর্টের তরফে গোটা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সার্বিক ভাবে এই চিকিৎসকদের নিরাপত্তা বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অর্থাৎ চিকিৎসকরা যে পরিবেশে কাজ করছেন সেখানকার নিরাপত্তার দিকটি নির্দিষ্ট করতে বলা হয়েছে। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স গঠনের নির্দেশ দেই সুপ্রিম কোর্ট। এছাড়াও এদিন শুনানি শুরুর থেকেই রাজ্যকে একাধিক প্রশ্ন করেছেন সুপ্রিম কোর্ট। এদিন বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চের তরফে প্রশ্ন করা হয়, কেন রাত ১১.৪৫-এ এফআইআর করা হল? হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কেন এফআইআর করল না? পরিবারের অভিযোগে কেন এফআইআর রুজু?


এছাড়াও সুপ্রিম কোর্টের জিজ্ঞাসা করা হয় কে বা কারা ওই তরুনী চিকিৎসকের আত্মহত্যার খবর দেওয়া হয়েছিল? পরিবারকে কেন রিপোর্ট দেওয়া হয়নি? এই ধরনের একাধিক প্রশ্নে কার্যত বিধ্বস্ত রাজ্যের আইনজীবী। একই সঙ্গে এই নারকীয় ঘটনায় মূলত যে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টকে চিন্তার মধ্যে রাখছে তা হল সামাজ মাধ্যমে ওই নির্যাতিতার যে একাধিক ছবি ও নাম প্রকাশ্যে এসে যাওয়া।







