নজরবন্দি ব্যুরোঃ কেষ্ট দা আসবেন। এই বার্তা কর্মীদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন দলীয় নেতৃত্ব। লোক টানতে তিনিই ছিলেন দলের জন্য একমাত্র দাওয়াই। কিন্তু অসুস্থ কেষ্ট দার দেখা মেলেনি। শোনা হল না তাঁর ভাষণ। নেই কেষ্ট দা, তাই সম্মেলন শুরু হতে না হতেই ঘরে ফিরলেন তৃণমূল কর্মীরা। কারোর মুখে শোনা যাচ্ছে, কেষ্ট দা আসবেন বলে এসেছিলাম। কিন্তু তিনি নেই ফিরে যাচ্ছি।
আরও পড়ুনঃ DYFI: ডিওয়াইএফআইয়ের সাধারণ সম্পাদক হিমাঘ্নরাজ, শক্তি কমলেও বাংলাতেই ভরসা
রবিবার বীরভূম জেলার বোলপুরে কসবা এলাকায় চলছিল কর্মী সম্মেলন। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, সুশান্ত ঘোষ সহ তৃণমূলের অন্যান্য নেতারা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ড্যামেজ কন্ট্রোল করাই ছিল এই কর্মী সম্মেলনের মূল লক্ষ্য। কিন্তু সেখানে উপস্থিত ছিলেন না জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।

এর আগে জেলাজুড়ে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন অনুব্রত। একেবারে বুথ স্তরের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে নিজে সংগঠন সামলেছেন। পুরসভা, গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে বিধানসভা তাঁর নির্দেশ পালন করে কাজ করত দলীয় কর্মীরা। তিনি না থাকায় মুষড়ে পড়েছেন কর্মীরাই। এর আগে কখনও কর্মীসভায় অনুপস্থিত ছিলেন না। তাঁকে ছাড়া কর্মীসভা হয় না। একথা বলতে বলতে ফিরে যাচ্ছেন নীচুতলার কর্মীরা।
৫ এপ্রিল অসুস্থতার কারণে বীরভূম ছেড়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। পরের দিন সিবিআইয়ের হাজিরা ছিল। তা এড়িয়ে সোজা ভর্তি হয়ে এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে। দুই সপ্তাহ ধরে চলে তাঁরা চিকিৎসা। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও আসে সিবিআইয়ের জোড়া তলব। চিকিৎস্কদের পরামর্শ নিয়ে চিনার পার্কের বাড়িতেই রয়েছেন অনুব্রত। তাই বন্ধ রয়েছে দলীয় কর্মসূচি। তাঁকে দেখতে না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন দলীয় কর্মীরাই।
নেই কেষ্ট দা, বীরভূমের তৃণমূল মুষড়ে পড়ছে!

অনুব্রত এখন দলীয় কর্মসূচি না উপস্থিত হলেই ভালো। এমনটাই মনে করছেন তৃণমূলের একাংশ। মানুষের কাছে এর জন্য অন্য বার্তা যেতে পারে। পাশাপাশি সিবিআইয়ের ফের দাক আসতে পারে। নিজের এবং দলের কথা ভেবে এখন দলীয় কর্মসূচি থেকে দূরেই থাকছেন অনুব্রত।








