নজরবন্দি ব্যুরোঃ উপনির্বাচন হোক দ্রুত, বাংলার শাসক দল তথা তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম থেকেই এই দাবি করে এসেছে। রাজ্যে করোনা সংক্রমণে কিছুটা লাগাম পরানোর পর খোদ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন এই পরিস্থিতিতে রাজ্য প্রস্তুত বাই ইলেকশনের জন্য। কমিশনের অনুমতির অপেক্ষা করছে দল।
আরও পড়ুনঃ দেশে দু’দিনে সংক্রমণ বাড়লো ১০ হাজার, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৫০০ পার


সঙ্গে সেদিনই জানিয়েছিলেন গোটা ভোট প্রক্রিয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় দিলেই হবে। প্রয়োজনে প্রচারের সময় বেধে দিক কমিশন। তবে নির্বিঘ্নে কেটে যাক ৭ কেন্দ্রের উপনির্বাচন। ভোটের আগেই মুর্শিদাবাদের দুই কেন্দ্রে প্রার্থী মারা যাওয়ার জন্য ভোট হয়নি।
তাছাড়াও ভোটে জিতেও ৫ কেন্দ্রে হবে উপনির্বাচন। সেগুলি হল, মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুর, এ ছাড়াও খড়দহ, দিনহাটা, শান্তিপুর এবং গোসাবা। সবমিলিয়ে সাতটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। তাই তৃণমূলের দাবি করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে থাকাকালীন যাতে উপ নির্বাচন করিয়ে নেওয়া যায়। কারন সেপ্টেম্ব বা অক্টোবর মাসেই দেশে ঢুকে পড়তে পারে করোনা ভাইরাসের থার্ড ওয়েভ।
উপনির্বাচন হোক দ্রুত, সবরকম ভাবে প্রস্তুত তৃণমূল কংগ্রেস।

সেই কারণেই দলগত দিক থেকে এখনই ভোট করাতে প্রস্তুত তৃণমূল কংগ্রেস। দিন কয়েক আগেই দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল দ্রুত উপনির্বাচনের দবি নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছে বাংলার শাসক দলের প্রতিনিধিরা। উপনির্বাচন হোক দ্রুত, সেই মতো আজ, বৃহস্পতিবার বিকেল নাগাদ জাতীয় নির্বাচন কমিশনে যাবেন তৃণমূলের ৬ সাংসদ।


সুদীপ বন্দোপাধ্যায়, সৌগত রায়, কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুখেন্দু শেখর রায় ও ডেরেক ও’ব্রায়ান। তবে এই মুহুর্তে রাজ্যের বিওরোধী দল অর্থাৎ বিজেপি আবার বাংলার ৭ কেন্দ্রের উপনির্বাচনের থেকে বেশি জোর দিচ্ছেন পুরোভোটে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি ইতিমধ্যে রাজ্যের একাধিক জায়গায় দলীয় বৈঠক করে পুরোভোটে বাজিমাতের জন্য একাধিক কমিটি গঠন করছেন।







