নজরবন্দি ব্যুরোঃ আগামী দিনে সংসদের ভিতরে দলের রণনীতি কী হবে? তা নির্ধারণের জন্য মঙ্গলবার সংসদ ভবনেই চলে তৃণমূলের সংসদীয় বৈঠক । যার নেতৃত্বে ছিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অথচ অভিষেকের বৈঠকে অনুপস্থিত নুসরত-মিমি, দুই সাংসদ অভিনেত্রীদের শোকজ করল দল।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যসভা বয়কটের পথে বিরোধীরা, একই সুর তৃণমূলেরও
এদিনের বৈঠকে অভিষেক স্থির করে দেন বিরোধী ঐক্যে কংগ্রেসের সঙ্গে সুর মেলাতে নারাজ তাঁরা। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের কথায়, “বাংলায় আমাদের বিরুদ্ধে লড়ছে কংগ্রেস বিরোধী ঐক্যে নেই। আমরা গোয়ার মতো রাজ্যে গেলেই বিরোধী ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এটাই দ্বিচারতা, কংগ্রেসের থেকে আমাদের কৌশল ভিন্ন হতে হবে। এরপর আমরা কোন রাজ্যে যাবো এখনই প্রকাশ করছি না। যে রাজ্যে আমরা চাপ ফেলতে পারব সেই রাজ্যেই যাবো”।
বাংলায় বিজেপির রথ আটকে দেওয়ার পর ভিন্ন রাজ্যের দিকে পা বাড়িয়েছে তৃণমূল। কংগ্রেস একাধিক দল থেকে তৃণমূলে আসতে শুরু করেছেন প্রচুর নেতারা। তাই এদিনের বৈঠকেসংসদের ভিতরে এবং সংসদের বাইরে দলের স্ট্র্যাটেজি বাতলে দিলেন অভিষেক। সাংসদদের উদ্দেশ্যে বার্তা কংগ্রেস এবং বিজেপির বিরুদ্ধে একযোগে সরব হতে হবে তাঁদেরকে। তবে ইস্যুভিত্তিক বিরধিতায় সরব হতে পারেন উভয় পক্ষই।
সকালে সংসদে পৌঁছে ১২ জন সাসপেণ্ড সাংসদের সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক। বেশ কিছু সময় ধরে গান্ধী মুর্তির পাদদেশে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এদিন সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বিজেপির অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলবে। আমাদের জনগণের জন্য আমরা লড়াই চালিয়ে যাবো”।
অভিষেকের বৈঠকে অনুপস্থিত নুসরত-মিমি, বিশেষ বার্তা দলের
তবে কংগ্রেসের সঙ্গে দুরত্বের কারণ কী? রাজনৈতিক মহলের ধারণা, দিল্লীতে প্রথমবার কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকের আগে বিশেষ বার্তা গেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। তাই কংগ্রেসের সঙ্গে কোনরকম সমঝোতা সায় দিতে চান না তাঁরা। গোয়া বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাই এই পন্থা অবলম্বন করেছে রাজ্য। পাশপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন ইউপিএ বলে কিছু নেই। তাই কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্কের দূরত্ব যে বেড়েছে সেবিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।



