নজরবন্দি ব্যুরোঃ খড়দায় তৃণমূল নেতা খুন, গত কয়েকদিনে রাজ্যের একাধিক জায়গায় আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূলের কর্মীরা। দিন কয়েক আগেই পান্ডবেশ্বরে রাতের গভীরে মাঠের পাশে রক্ত মাখা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল তৃণমূলের এক কর্মীকে। এবার ঘটনাস্থল খড়দা।
আরও পড়ুনঃ আজ মমতার কন্যাশ্রী দিবস, বাংলার মেয়েদের সাফল্য উদযাপন মুখ্যমন্ত্রীর


ব্যারাকপুর লোকসভার তৃণমূলের হিন্দি সংগঠনের সম্পাদক রণজয় শ্রীবাস্তব খুন হয়েছেন গতকাল রাতে। সূত্রের খবর গতকাল, শুক্রবার রাতে বিটি রোড ধরে এক সঙ্গীর সঙ্গে গাড়িতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময়েই খড়দার বড়োপট্টি এলাকায় তৃণমূল নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া হয়।
ঘটনায় রণোজয়ের গলার কাছে গুলি লাগে। তৎক্ষণাৎ বেসরকারি একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। খুনের অভিযোগে এখনো পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তৃণমূলের অভিযোগের আঙুল উঠছে বিজেপির দিকেই। অভিযোগ পরিকল্পনা করে রণজয়কেখুন করা হয়েছে, অর্জুন সিং এর মদতে এসব হয়েছে বলেও জানান স্থানীয় তৃণমূল নেতা প্রশান্ত চৌধুরি।
খড়দায় তৃণমূল নেতা খুন, এখনো পর্যন্ত গ্রেপ্তার ৫।

যদিও এই অভিযোগ স্পষ্টত উড়িয়ে দিয়েছেন অর্জুন সিং। তাঁর অক্তব্য, “প্রশান্ত চৌধুরীর বয়স হয়ে গিয়েছে। এর জন্য কেসটা ঘোরানোর চেষ্টা করছে। পশ্চিমবাংলায় ১৮২ জনের ওপর বিজেপি কর্মী খুন হয়েছে। কালকেই সোদপুরে জয় সাহাকে গুলি করে খুনের চেষ্টা হয়েছে। কাজল সিনহার অনুগামীরা গোষ্ঠী কোন্দলে জড়িয়ে। বিজেপি খুনের রাজনীতি করেনি। এটা পুরোপুরি ওদের গোষ্ঠীকোন্দলের লড়াই।”


সঙ্গে তিনি আরও বলেন “সোদপুরে আমাদের কর্মী জয় সাহাকে গুলি করে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে। তৃণমূলের ভাগ বাঁটোয়ারা নিয়ে লড়াই শুরু হয়েছে। সুপারি দিয়েই তৃণমূল নেতাকে খুন করা হয়েছে। বিজেপি হিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। বিজেপি খুনোখুনির রাজনীতি কোনওদিন আমদানি করেনি বাংলায়।”








