নজরবন্দি ব্যুরোঃ কথা দিলে কথা রাখি, নন্দীগ্রাম থেকেই লড়বেন বলে জানিয়ে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তিনি যে বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা সেই কেন্দ্র ভবানীপুরে লড়বেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পাশাপাশি প্রত্যাশা মতোই রত্না চট্টোপাধ্যায় কে টিকিট দেওয়া হয়েছে বেহালা পূর্ব কেন্দ্র থেকে। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার সময় বলেন, কথা দিলে কথা রাখেন তিনি। তাই আগের ঘোষণা মতো নন্দীগ্রাম থেকেই প্রার্থী হচ্ছেন।
আরও পড়ুনঃ বারাসাতে BJP’র সম্ভাব্য প্রার্থী কামদুনির মৌসুমি কয়াল
নিজের নাম নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের জন্য ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ৯ মার্চ বিকেলে মনোনয়ন জমা দেবেন তিনি। এদিকে বেহালা পশ্চিম থেকে প্রার্থী হচ্ছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গতকাল যিনি তৃণমূলে যোগ দিলেন সেই বিখ্যাত গায়িকা অদিতি মুন্সী প্রার্থী হচ্ছেন এবারের নির্বাচনে। তিনি দাঁড়াবেন রাজারহাট-গোপালপুর আসনে। পাশাপাশি সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করা হচ্ছে বাঁকুড়া থেকে। রাজ চক্রবর্তী দাঁড়াচ্ছেন ব্যারাকপুর থেকে। অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ প্রার্থী হচ্ছেন আসানসোল দক্ষিণে।
ইসলামপুরে করিম চৌধুরী, হেমতাবাদে সত্যজিৎ বর্মণ, কালিয়াগঞ্জ তপনদেব সিনহা, ইটাহারে মোশারফ হোসেন, গাজলে বাসন্তী বর্মণ, চাঁচলে নীহাররঞ্জন ঘোষ, ধূপগুড়িতে মিতালি রায়, ফরাক্কা মনিরুল ইসলাম, জঙ্গিপুর জাকির হুসেন, কামারহাটিতে মদন মিত্র। ডোমজুড়ে কল্যাণ ঘোষ, শ্রীরামপুরে সুদীপ্ত রায়, ডেবরায় হুময়ুন কবীর, ঝাড়গ্রামে বীরবাহা, শিলিগুড়িতে ওমপ্রকাশ মিশ্র, চাকুলিয়ায় আরবিন আজাদ, রায়গঞ্জে কানইয়ালাল আগরওয়াল, দমদমে ব্রাত্য বসু, বালুরঘাটে শেখর দাসগুপ্ত, রতুয়ায় সমর মুখোপাধ্যায়, মোতাবড়িতে সাবিনা ইয়াসমিন, সাগরগিঘিতে সুব্রত সাহা, ভগবানগোলায় ইদ্রিশ আলি, কান্দিতে অপূর্ব সরকার।
রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরী, জলঙ্গিতে আবদুল রেজ্জাক, নবদ্বীপে পুণ্ডরীকাক্ষ সাহা, হরিণঘাটায় নীলিমা নাগ, স্বরূপনগরে হিনা মণ্ডল, নৈহাটি পার্থ ভৌমিক, চৌরঙ্গী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্যামপুকুর শশী পাঁজা, হাওড়া মধ্য অরূপ রায়। ভাঙড় মহম্মদ রেজাউল করিম, চন্দননগর ইন্দ্রনীল সেন। সবংয়ে মানস ভুঁইয়া, কেশপুরে শিউলা সাহা, পারায় উমাপদ বাউড়ি, ঝাড়গ্রামে বীরবাহা হাঁসদা, রানিবাঁধে জোৎস্না মাণ্ডি, মন্তেশ্বরে সিদিকউল্লা, মেমারিতে মধুসূদন ভট্টাচার্য, ভাতার মনগোবিন্দ অধিকারী, পাণ্ডবেশ্বর নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। বোলপুরে চন্দ্রনাথ সিনহা, ইংরেজবাজারে কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী, পটাশপুরে উত্তমকুমার রায়, খড়দহে কাজল সিনহা, হিঙ্গলগঞ্জে দেবেশ মণ্ডল, মগরাহাট পশ্চিমে গিয়াসউদ্দিন মোল্লা।
প্রোমোশন পেয়ে রাসবিহারিতে এবার বিধায়ক হওয়ার জন্যে লড়বেন দেবাশিস কুমার, হরিপালে করবী মান্না, তারকেশ্বরে রমেন্দু সিংহ রায়, আরামবাগে সুজাতা মণ্ডল খাঁ, গাইঘাটায় নরোত্তম বিশ্বাস, হাবড়ায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, ভাটপাড়ায় জিতন্দ্র সাউ, বারসতে চিরঞ্জিত চক্রবর্তী, পাথরপ্রতিমায় সনৎ জানা, কাকদ্বীপে মন্টুরাম পাখিরা।
শারীরিক অসুস্থতার কারণে এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না পূর্ণেন্দু বসু এবং অমিত মিত্র। সিঙ্গুরের ‘মাস্টারমশাই’ রবীন্দ্রনাথের পরিবর্তে সিঙ্গুর কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন বেচারাম মান্না। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দাঁড়াবেন দমদম উত্তরে। কৌশানী মুখোপাধ্যায় দাঁড়াচ্ছেন কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে। বিবেক গুপ্ত প্রার্থী হচ্ছেন জোড়াসাঁকোয়। কাঞ্চন মল্লিক উত্তরপাড়া থেকে, মনোজ তিওয়ারি শিবপুরে। সোহম চক্রবর্তী দাঁড়াচ্ছেন চণ্ডীপুর থেকে।
উল্লেখ্য, এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েদেন তৃণমূল ২৯১ টি আসনে লড়াই করছে। পাহাড়ের তিনটি আসন ছাড়া হচ্ছে জোট সঙ্গীকে। এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, জনগণের উপর ১০০ শতাংশ ভরসা রয়েছে। শেষ হাসি হাসব আমরাই, বিজেপির বিভাজনের রাজনীতি মেনে নেবেন না বাংলার মানুষ। ২১ আমার লাকি সংখ্যা!!



