নজরবন্দি ব্যুরোঃ এই প্রথম বিধানসভায় কোনও বিষয়ে একমত হল রাজ্যের শাসক এবং বিরোধী দল। এমনকি নদী ভাঙন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল পাঠানোর প্রস্তাব বিধানসভায় পেশ করেন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেই প্রস্তাবে সমর্থন করলেন বিজেপির পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা। রাজনৈতিক দূরত্ব মিটিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করছেন শাসক-বিরোধী পক্ষ!
আরও পড়ুনঃ Prabhas-Kriti Sanon: সিনেমেটিক স্টাইলে প্রপোজ সারলেন প্রভাস, লজ্জায় লাল কৃতি


শাসকদলের কোন কোন বিধায়ক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করতে যাবেন? সেবিষয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দিয়েছেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনা করে নাম পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন মাদারিহাটের বিজেপি বিধায়ক।

দিন কয়েক আগেই নদী ভাঙন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, ভাঙনের জেরে মালদহে ফুলহার নদী ও গঙ্গার মধ্যে দূরত্ব কমে দেড় কিলোমিটার হয়ে এসেছে। যা ২০০৪ সালে চার কিলোমিটারের বেশী ছিল। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ফারাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষের তরফে ভাঙন প্রতিরোধে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা মোটেই মোকাবিলার জন্য যথোপযুক্ত নয়। গঙ্গার ভাঙন প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট দফতর পদক্ষেপ নিক। সেই আর্জি জানিয়েছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ফরাক্কা এবং প্রস্তাবিত ব্যারেজের মধ্যবর্তী অংশ ভাঙনের জন্য বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। রাজ্য সরকার চাইছে ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ আরও বড় এলাকা জুড়ে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ করুক। এমনকি ভারত সরকার কলকাতা বন্দরের স্বার্থে যে জল দেয় তা অপর্যাপ্ত। এখন নদির বুকে চর পড়ে বিপদের মুখে পড়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা।


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করছেন শাসক-বিরোধী পক্ষ! জল্পনা তুঙ্গে

ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে কোনও সদুত্তর মেলেনি। প্লাবনের জন্য প্রায়শয়ই ডিভিসিকে দায়ী করে রাজ্য সরকার। বর্ষার সময় প্রতি বার বন্যা পরিস্থিতি দেখার জন্য সরাসরি কেন্দ্রকে দায়ী করেছিলেন। এমনকি নদির বালি সরানো নিয়ে অভিযোগ তুলতে দেখা গেছে মুখ্যমন্ত্রীকে। এবার বিধানসভায় প্রস্তাব এনে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



