নজরবন্দি ব্যুরোঃ মানিক গড়ে নির্বিঘ্নে কর্মসূচি তৃণমূলের, বিপ্লব গড়ে নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত দিল রাজনৈতিক পরিবেশ। আজ স্বাধীনতা দিবস পালন করতে গিয়েও ত্রিপুরায় জোড়া হামলার মুখে পড়েন তৃণমূল সাংসদরা। কিন্তু একদিকে যখন এই জোড়া হামলায় জর্জরিত তৃণমূল। তখন অন্যপ্রান্তের দুই এলাকায় নির্বিঘ্নে কর্মসূচি পালন করল তাঁরা! ঘটনা চক্রে হামলা স্থলে আধিপত্য রয়েছে বিজেপির, আর শান্তি স্থলে সিপিআইএমের!
আরও পড়ুনঃ স্বাধীনতা দিবসের দিনও বাদ গেল না দলবদল, BJP থেকে TMC তে ৮০ টি পরিবার


আজ সাবলুম নন্দীগ্রাম এলাকার থাইভূম গ্রাম পঞ্চায়েত অঞ্চলে একদল দুষ্কৃতী তৃণমূল সাংসদ ও নেতা-কর্মীদের ঘিরে ধরে এলোপাথাড়ি মারধর করে বলে অভিযোগ। আক্রান্ত দুই মহিলা সাংসদ – দোলা সেন, অপরূপা পোদ্দার চিকিৎসার জন্য কলকাতায় ফিরছেন বলে খবর। ত্রিপুরায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে যখন তৃণমূলের মহিলা সাংসদদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে, তখন দুই বিধানসভায় নির্বিঘ্নেই নিজেদের কর্মসূচি সমাপ্ত করেছেন তৃণমূল নেতারা।
ঘটনাচক্রে দুটি বিধানসভা দুটি রাজ্যে। একটি অসম আর একটি ত্রিপুরা। অসমের সোনামুড়া আর ত্রিপুরার ধনপুর, পাশাপাশি দুটি বিধানসভা। ঘটনাচক্রে দুই বিধানসভাই সিপিআইএমের দখলে। অসমের সোনামুড়ার বিধায়ক সিপিআইএমের শ্যামল চক্রবর্তী। আর ধনপুরের তো খোদ ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। বলা চলে মানিক গড়ে নির্বিঘ্নে কর্মসূচি তৃণমূলের!
মানিক গড়ে নির্বিঘ্নে কর্মসূচি তৃণমূলের

একই দিনে ত্রিপুরার বিভিন্ন সিপিআইএম অধ্যুষিত এলাকাতেও কর্মসূচী চালায় তৃণমূল। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল সিপিআইএম প্রভাবিত কোন এলাকাতেই ঝামেলায় পড়তে হয়নি তৃণমূল কে। যেমন পশ্চিম ত্রিপুরার সিপাহীজলায় সিপিআইএম এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী। সেই এলাকায় নির্বিঘ্নেই কর্মসূচি করতে পারলেনতৃণমূলের দুই সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল ও আবির বিশ্বাস।


ত্রিপুরায় বিজেপি যেখানে তৃণমূল কে একচুল যায়গা ছাড়তে রাজি নয় সেখানে সিপিআইএম প্রভাবিত এলাকায় তৃণমূলের কর্মসূচী নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ায় ইঙ্গিত মিলেছে নয়া রাজনৈতিক সমীকরনের। যদিও কদিন আগেই রাজ্যের মন্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, সিপিআইএমের সাথে জোট হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই ত্রিপুরায়।







