নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাস ধর্মঘট নিয়ে প্রথমবার হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা আইনজীবীর। ডিজেল পেট্রোলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বাসভাড়া বাড়ানোর দাবীতে টানা ৭২ ঘন্টা বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ৫ টি বেসরকারি বাস মালিকদের সংগঠন। আগামী ২৮, ২৯ এবং ৩০ জানুয়ারি ৭২ ঘণ্টা বাস-মিনিবাস বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালনের দাবী জানিয়েছেন ওই ৫ বাস মালিকের সংগঠন। কিন্তু সেই ধর্মঘটের বিরোধীতায় এবার দায়ের হল মামলা।
আরও পড়ুনঃদলবদলের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আদি-নব্য দ্বন্দ্ব। বাবুল-মেননের সামনেই তুলকালাম আসানসোলে


দুর্গাপুজা,কালীপুজা, গঙ্গাসাগরমেলা নিয়ে জনস্বার্থ মামালার পর এবার সেই তালিকায় নাম উঠলো বাস ধর্মঘটের। এর আগেও বিভিন্ন দাবি নিয়ে নানা সময়ে ধর্মঘটের পথে হেঁটেছে বাস সংস্থার মালিকেরা। তবে এই প্রথম তাঁদের ধর্মঘটের বিরধিতায় হল মামলা। জনস্বার্থে এই মামলা দায়ের করেছেন এক আইনজীবী। মামলা গৃহীত হলে আগামাই সপ্তাহের শুরুর দিকেই হতে পারে এই মামলার শুনানি। বাস মালিকদের এই বিভিন্ন সময়ে নানা কারণে ডাকা ধররমঘটের ফলে আমজনতাকে পড়তে হয় বিপাকে। সেক্ষেত্রে বিপর্যস্ত জনজীবন সামাল দেওয়া খুব মুশকিল হয়ে পড়ে। সেই কারণেই ওই আইনজীবী জনস্বার্থে দায়ের করেন ওই মামলা।
কোভিড পরিস্থিতি এবং দীর্ঘ লকডাউনের জেরে রাজ্যে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল পরিবহন ব্যবস্থা। দির্ঘদিন বাস বন্ধ থাকার পর,বাসভাড়া বাড়িয়েছে বাস মালিকদের সংস্থাগুলি। এমনিতেও জনজীবন এখন স্বাভাবিক আগের থেকে অনেক বেশি। আসতে আসতে স্বাভাবিক হচ্ছে জনজীবন। বাসভাড়াও বাড়িয়েছেন ইতিমধ্যে বাস মালিকদের সংগঠনগুলি। বর্তমানে পেট্রোল ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ফের ভাড়া বাড়াতে চাইছে ওই সংগঠনগুলি। বাসের নুন্যতম ভাড়া ৭ এর থেকে বাড়িয়ে ১৪ করার দাবিতে,এবং মিনি বাসের ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে জানুয়ারির শেষে ৩ দিন ব্যাপী বাস ধর্মঘটের দাক দিয়েছেন। কিন্তু জনজীবন স্বাভাবিক হওয়ার পরও বাস মালিকদের এই দাবির বিরধীতা করে মামলা দায়ের করেছেন ওই আইনজীবী।
বাস ধর্মঘট নিয়ে প্রথমবার হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা আইনজীবীর। বাসভাড়া বাড়ানর পাশাপাশি ওই মঞ্চ দাবি করেছে ডিজেলের উপর থেকে কেন্দ্রও অন্য সব কর ও সেজ তুলে নিলে জিএসটি বসিয়ে দিক, তাতে ডিজেলের দাম অনেকটাই কমবে।
যদিও ধর্মঘটের দাবি এবং তাঁর বিপক্ষে আইনজীবীর মামলার পর অনেকেই মনে করছেন,এই খেলার বল আপাতত কলকাতা হাইকোর্টের এজলাসে। তাই আদালত এই বিষয়ে যে রায়ই দিক না কেন তা সবাইকে মেনে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে একদিকে যেমন ধর্মঘট না হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে তেমনি বাস ভাড়া বাড়ার সম্ভাবনাও থাকছে। তাঁর ফলে রায় যেতে পারে দুদিকেই।









