নজরবন্দি ব্যুরোঃ দলবদলের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আদি-নব্য দ্বন্দ্ব। বাংলায় এগিয়ে আসছে ২১ এর নির্বাচন। ভোট প্রাক্কাল বাংলায় শুরু হয়েছে পাল্লা দিয়ে দলবদল। আর তাতেই দলের মধ্যে দেখা দিচ্ছে ভাঙন। ভোটের ঠিক আগে আগেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গেছেন একাধিক নেতা-মন্ত্রী এবং দলীয় কর্মী। বিজেপিতে গিয়েই আপাত ভাবে সামনের সারিতেই থাকছেন তাঁরা। আর এখানেই তৈরি হচ্ছে সমস্যা। বিজেপির মধ্যে বেশ স্পষ্ট ভাবে শুরু হয়ে গিয়েছে আদি-নব্যের লড়াই।
আরও পড়ুনঃ শারীরিক অবস্থার অবনতি, ফের হাসপাতালে ভর্তি লালুপ্রসাদ


আদি-নব্যের লড়াইয়ের জের এবার দেখা গেল বর্ধমানেও। কুলটি আর বারবনি ব্লকের কর্মীদের নিয়ে ছিল বৈঠক। আর সেই বৈঠক কার্যত রুপ নিল রণক্ষেত্রের। মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, পর্যবেক্ষক আরবিন্দ মেনন এবং মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পালের সামনেই শুরু হয় গোষ্ঠী কোন্দল। দলের অন্দরের এই অশান্তি চলছিলই। হঠাত করে তৃণমূল থেকে এসে দীর্ঘদিন বিজেপির কর্মীদের ওপরে উঠে যাচ্ছিলেন তাঁরা।
আর তাতেই আপত্তি ছিল বিজেপির আদি কর্মীদের। এতদিন ধরে দলে থাকার পর কেন হঠাত অন্য দল ত্যহেকে সদ্য আসা নেতা কর্মীরা জায়গা পাবেন সামনের সারিতে? দায়িত্বও দেওয়া হচ্ছে তাঁদেরই। বৈঠকে বাবুল সুপ্রিয়, মেমন, অগ্নিমিত্রা উপস্থিত হওয়ার পরেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপির আদি কর্মীরা।
দলবদলের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আদি-নব্য দ্বন্দ্ব। বিক্ষোভ সামলাতে বাবুল মেননরা মাঠে নামলেও থামেনি বিক্ষোভ। প্রথমে শাটার নামিয়ে চলে বিক্ষোভ, তারপর শীর্ষ নেতৃত্ব মাঠে নামলেও থামেনি সেই দ্বন্দ। পার্টি অফিসের বাইরে বেরিয়ে চলে মারপিট। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি,বাইক। পুলিশ এসে নিয়িন্ত্রনে আনেন পরিস্থিতি। যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় জানিয়েছেন দলের অন্দরে সমস্যা ছিল, সেসবের সমাধ্ন করা হচ্ছে। শীর্ষ নেতৃত্বকে সামনে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মানুষ। সামলে নেওয়া হবে পরিস্থিতি। তবে দলের মধ্যে আদি নব্যের এই দ্বন্দ বেশ ভালো প্রভাব ফেলতে পারে আগামী দিনে বলে জানাচ্ছে ওয়াকিবহল মহল।









