নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ ২৫ শে বৈশাখ। আজকের দিনে ১২৬৮ সালে বাংলা তথা বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম বিশিষ্ট ব্যাক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম হয়েছে। কলকাতার জোড়াসাঁকোতে ঠাকুর পরিবারে জন্ম হয় তার। তবে শুধু আজকের দিনে নয় বাঙালীর মনে ৩৬৫ দিনই তিনি বিরাজ করেন তিনি। প্রেম হোক বিরহ হোক কিংবা দুঃখ সব সময়ই রবি ঠাকুরের গান আমাদের সাথ দেয়। আজকে তার এই বিশেষ দিনে জেনে নিন তার জীবনে ঘটা অজানা কিছু কাহিনী।
আরও পড়ুনঃ অরিজিৎ এর শোতে ঘটলো আরও একটি ঘটনা, গায়কের সামনেই উদ্দাম চুম্বন যুগলের
রবি ঠাকুরের বেশ কয়েকটি ছদ্মনাম তো আমরা প্রত্যেকেই জানি। কিন্তু তার আরও অনেক গুলো ছদ্মনাম ছিল যেগুলো অনেকের কাছে অজানা। সেগুলি হল নবীন কিশোর শর্মন, বানীবিনোদ, শ্রীমতী কনিষ্ঠা, শ্রীমতী মধ্যমা। এছাড়াও ১৯২৮ সালে তিনি তার জন্মদিন পালন করেছিলেন চীনদেশে। ৬৩ বছর বয়েসে। সেইজন্য তাঁকে সেই দেশের সরকার তার নাম দিয়েছিল চুং চেন তাং।
ভারতের জন্য ‘জন গণ মন-অধিনায়ক জয় হে’ এবং বাংলাদেশের জন্য আমার ‘সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ জাতীয় সঙ্গীত কবিগুরুর লেখা তা সবারই জানা। কিন্ত অনেকেরই অজানা শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীতও তার রচনা করা। সেটি হল ‘নম নম নম নম মাতা, সুন্দর শ্রী বরনী।
গান রচনার জন্য ৫০০ টাকার চেক বাবার থেকে! আর কী কী ঘটেছিল!
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাবা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর রবিঠাকুরের ছোট থেকেই তাঁকে সঙ্গীত রচনা এবং সঙ্গীত চর্চায় তাঁকে অপরিসীম উৎসাহ প্রদান করতেন। একবার একটি মাঘ মাসের অনুষ্ঠানে তিনি অনেক গুলি গান রচনা করেছিলেন। যা দেখে খুশি হয়ে তিনি ছেলের হাতে ৫০০ টাকা চেক পুরস্কার দিয়েছিলেন।



