নজরবন্দি ব্যুরো: আক্রান্ত অধিকাংশ স্বাস্থ্য কর্মী, নতুনরাও ভয় পাচ্ছেন সংক্রমণের, আর সেই কারণেই জঙ্গিপুর হাসপাতালে রোগীদের নিজেদেরই নিতে হচ্ছে করোনা পরীক্ষার নমুনা। মানা হচ্ছে না কোনো সিরিয়াল নং।এই চিত্র দেখা গেছে মুর্শিদাবাদে। করোনা কালে ভোট, আর তাতেই বাংলায় ব্যাপক হারে ছড়িয়েছে দ্বিতীয় ওয়েভের সংক্রমণ।
আরও পড়ুনঃ BJP’র হয়ে কাজ করছে কমিশন! ভোট মিটলেই সবার ‘চ্যাট’ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন মমতা


নির্বাচনী প্রচার, মিছিল মিটিং সবার প্রভাবে লাফিয়ে বাড়ছে বাংলায় করোনা আক্রান্তের পরিসংখ্যান। বাড়ছে মৃত্যু সংখ্যা।বাংলায় শুক্রবার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার। দৈনিক গড়ে করানোর বলি হচ্ছেন প্রায় ৫০ জন।সংক্রমণ সব থেকে বেশি কলকাতা এবং উত্তর চব্বিশ পরগনাতে হলেও পিছিয়ে নেয় রাজ্যের বাকি জেলা গুলি। গত ১৪ ঘণ্টায় শুধু কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩হাজার মানুষ।
উত্তর চব্বিশ পরগনার সংখ্যা কিছু কম, প্রায় ২৫০০। রাজ্যের বাকি জেলা গুলিতেও ডিউটি ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। মুর্শিদাবাদে গতবারের করোনা প্রকোপ বিপুল হারে না পড়লেও, এবারে ভালোভাবেই ছড়িয়েছে ভাইরাস। কিন্তু দেখা যাচ্ছে কোথাও সমগ্র বিষয় দেখছেন একজন স্বাস্থ্য কর্মী, কোথাও বা এগিয়ে আসছেন না কেউই। জঙ্গিপুর হাস্পাতলে দেখা গেছে স্বাস্থ্য কর্মীদের অভাবে সোয়াব টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করছেন রোগী নিজেই।
আক্রান্ত অধিকাংশ স্বাস্থ্য কর্মী, করোনা পরীক্ষার নমুনা নিচ্ছেন রোগী নিজেই। ঘটনায় ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গেলেও, স্বাস্থ্য কর্মীদের বক্তব্য অধিকাংশ সহকর্মী কভিড পজেটিভ, নতুনরা ভয় পাচ্ছেন এই সময়ে আক্রান্ত হওয়ার। এমনকি নেই পর্যাপ্ত গ্লাভস। সেই কারণেই রোগীর হতে তুলে দেওয়া হচ্ছে কিট, আর তা দিয়ে রোগীকে নিজেই নিতে হচ্ছে নমুনা। ঘটনায় হতবাক রোগীর পরিবার। কিন্তু কোন উপায় দেখছেন না স্বাস্থ্য কর্মীরা।









