নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিশবাঁও জলে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ! বেনিয়মের অভিযোগে মামলা হাইকোর্টে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাথমিকে নিয়োগের ব্যাপারে সচেষ্ট হতেই নড়ে চড়ে বসে শিক্ষা দফতর। সোমবারই নবান্নে বৈঠক সেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এইদিনই প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগ নিয়ে বড় ঘোষণা করেন তিনি। আর সেই মতোই বুধবারই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য নোটিস জারি করে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। এদিকে এই উদ্যোগ ফের থমকে যেতে বসেছে বেনিয়মের অভিযোগে।
আরও পড়ুনঃ বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি


মামলাকারীদের পক্ষের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, ২০১৪ সালে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ টেট পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি জারি করে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী টেট পরীক্ষা নেওয়া হয় ২০১৫ সালে। কিন্তু পরীক্ষায় মোট ৬ টি প্রশ্ন ভুল আসে! অভিযোগ, ভুল প্রশ্নপত্র সমেত সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার ১৬ হাজার ৫০০ জনকে নিয়োগ করা হচ্ছে। ফলে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ভুল। ফলে এই প্রশ্নপত্রের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়োগকারীদের খাতা পুনরায় দেখে তবেই নিয়োগ করতে হবে বলে দাবি।
আইনজীবীর ফিরদৌস শামিমের কথায়, “প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ভুল।” আর এই এই অভিযোগের ভিত্তিতেই পিটিশনদের তরফে আজ মামলা করা হয়েছে। আইনজীবী জানিয়েছেন, “সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে শিক্ষক নিয়োগে তাঁদেরকেই সুযোগ দিতে হবে যারা বেস্ট। কিন্তু ২০১৪ সালে ভুল প্রশ্নের টেট হওয়ার পর ২০১৭ সালে আর পরীক্ষাই হয়নি! কিন্তু নিয়োগ করা হচ্ছে ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষা থেকে। এটা নিয়ম বিরুদ্ধ, নতুন পরীক্ষা গ্রহন করে তবেই নিয়োগ করা উচিত!”
বিশবাঁও জলে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ! আজ এই মামলা মেনশন করা হয়েছে বিচারপতি রাজর্ষী ভরদ্বাজ এবং বিচারপতি সৌমেন সেনের এজলাসে। উল্লেখ্য, বিচারপতি রাজর্ষী ভরদ্বাজের এজলাস অর্থাৎ সিঙ্গেল বেঞ্চ এবং বিচারপতি সৌমেন সেনের এজলাস অর্থাৎ ডিভিশন বেঞ্চে। মামলাটি গৃহীত হয়েছে, শুনানি হতে পারে আগামী ৪ই জানুয়ারি। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, “ইন্টারভিউ হবে ১০ জানুয়ারি থেকে। ৩১ জানুয়ারি হবে অফলাইনে তৃতীয় টেট!”


সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



