মাথায় সিঁদুর আছে, সে কিনা অবাঙালি! ‘বিজয়িনী ভব’ বিস্মিত তথাগতর আশীর্বাদ প্রিয়াঙ্কাকে।

মাথায় সিঁদুর আছে, সে কিনা অবাঙালি! ‘বিজয়িনী ভব’ বিস্মিত তথাগতর আশীর্বাদ প্রিয়াঙ্কাকে।
মাথায় সিঁদুর আছে, সে কিনা অবাঙালি! ‘বিজয়িনী ভব’ বিস্মিত তথাগতর আশীর্বাদ প্রিয়াঙ্কাকে।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ মাথায় সিঁদুর আছে, সে কিনা অবাঙালি! ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা তথাগত রায়। এদিন এক ট্যুইটার পোস্টে তিনি লিখেছেন সেকথা। আজ সকালেই ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল যান তথাগত রায়ের আশীর্বাদ নিতে। তথাগত বাবু সেই ছবি পোস্ট করে লিখেছেন ‘বিজয়িনী ভব’। সাথে জানিয়েছেন তিনি সম্মানিত বোধ করছেন প্রিয়াঙ্কা তাঁর কাছে আশীর্বাদ নিতে আসায়।

আর পড়ুনঃ কয়লা কাণ্ডে তৃতীয়বার তলব অভিষেককে, ৯ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদে সন্তষ্ট নয় ইডি!

তবে তাঁর কিছুক্ষন পরেই অবাঙালী ইস্যুতে ফিরহা হাকিম কে তোপ দগেন তিনি। বিস্ময় প্রকাশ করে লেখে, মাথায় সিঁদুর আছে, সে কিনা অবাঙালি! তাঁর কথায়, “চাপে পড়ে মুলোরা এর মধ্যেই প্রিয়াঙ্কার বিরুদ্ধে বাঙালি-অবাঙালি ধুয়ো তুলতে আরম্ভ করেছে। সত্য সেলুকাস… গয়া জেলা থেকে আগত ফিরাদ হাকিম হল বাঙালি ! আর একশো বছরের উপর বাংলার অধিবাসী, মাথায় সিঁদুর আছে, সেই প্রিয়াঙ্কা হল অবাঙালি!”

শুক্রবার একদিকে যখন হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর উপনির্বাচনের জন্য মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন অন্যদিকে বিজেপি মমতার বিরুদ্ধে তাঁদের প্রার্থী হিসেবে আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল এর নাম ঘোষণা করল। ‘ভোট পরবর্তী হিংসা’ মামলা নিয়ে গত কয়েক মাসে একাধিক বার শিরোনামে উঠে এসেছেন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। গতকাল তাকে সাথে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন দিলীপ ঘোষ। সেই সাংবাদিক সম্মেলন থেকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমন শানান মমতা বন্দোপাধ্যায় কে।

মাথায় সিঁদুর আছে, সে কিনা অবাঙালি! ‘বিজয়িনী ভব’ বিস্মিত তথাগতর আশীর্বাদ প্রিয়াঙ্কাকে।

মাথায় সিঁদুর আছে, সে কিনা অবাঙালি! ‘বিজয়িনী ভব’ বিস্মিত তথাগতর আশীর্বাদ প্রিয়াঙ্কাকে।

প্রিয়াঙ্কা কে প্রার্থী করা নিয়ে দিলিপের মন্তব্য,  ‘হারা প্রার্থীর বিরুদ্ধে হেরে যাওয়া প্রার্থী দিয়েছি। এ নিয়ে আবার এত কথার কী আছে!’ উল্লেখ্য, বিজেপির প্রার্থী হিসবে প্রিয়াঙ্কার নাম উঠে আসতে কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম বলেন, “এটা কে? খায় না মাথায় দেয়? তাঁর সমাজে কী অবদান রয়েছে? কোনও দিন কি কাউন্সিলার নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন? কোনও দিন কি পঞ্চায়েত ভোটে দাঁড়িয়েছেন? মানুষের সঙ্গে কী যোগাযোগ রয়েছে? একজনকে ভোটে দাঁড় করিয়ে দিলাম, আর অল ইন্ডিয়া পার্টি হইহই করলাম তাতে যে ভোট হয় না তা তো দেখেছেন।”

 

তাঁর জবাব দেন দিলীপ ঘোষ। টানেন লোকসভার প্রাক্তন স্পীকার সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের নাম। জানিয়ে দেন, সোমনাথবাবুকে হারিয়ে উত্থান মমতার। দিলীপের কথায়, “ববি হাকিম বলছিলেন, উনি কোনওদিন ভোটে লড়েছেন কি না। প্রিয়াঙ্কা তো কাউন্সিলর ভোটেও প্রার্থী হয়েছিলেন। বিধানসভাতেও লড়েছিলেন। হ্যাঁ, জেতেননি। সে তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও গতবার জেতেননি। তা হারার বিরুদ্ধে হারা প্রার্থীই আমরা দিয়েছি। ১৯৮৪ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন লড়লেন, ওনাকে কে চিনতেন। উনি তো সোমনাথবাবুকে হারিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তো আজকের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়েছেন।”