আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপত্তা এবং কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখতে চিন শান্তি বজায় রাখার দায়িত্ব নেওয়ার বার্তা দিচ্ছে। এই অবস্থানে পরিবর্তন আনার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে—বৃদ্ধিমান সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই বক্তব্য ভারতের পররাষ্ট্র নীতিতে ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই অবস্থান দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে সাহায্য করবে। এখন দেখার, ভবিষ্যতে ভারত-চিন সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।
চীনে (China) রোজ বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। আর এখন বেজিংয়ের 'ম্যানুফ্যাকচারিং হাব' নামে খ্যাত গুয়াংঝাউ এবং পশ্চিমের শহর চোংগকিংয়ে ৫০ লক্ষ মানুষ ঘরবন্দি হয়ে রয়েছে লকডাউনের কারণে।