আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশ উপকূল সংলগ্ন উত্তর বঙ্গোপসাগরের উপর ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৪৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে এই ঘুর্ণাবর্তের ফলে। ঘুর্ণাবর্তের প্রভাব থাকবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
দক্ষিণবঙ্গের বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি ভোগাবে। তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে অল্প সময়ের জন্য হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শনিবার থেকে সোমবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে বলে অনুমান আবহাওয়া দফতরের। কাল রাতের তাপমাত্রা ২৬.৮ ডিগ্রি। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৮১ থেকে ৯৭ শতাংশ।
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অসমে ঘূর্ণাবর্ত, তার সঙ্গে পূর্ব-পশ্চিম অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের ওপর দিয়ে অসম পর্যন্ত বিস্তৃত। আরেক দিকে, মৌসুমী অক্ষরেখা রাজস্থান থেকে ওড়িশার ওপর দিয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত অবস্থান করছে।
মঙ্গলবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম।
সোমবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। গতকাল, রবিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম।
ঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ওপর গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। আজ সারাদিন ধরে চলেছে অঝোরে বৃষ্টি। সেই বৃষ্টির জেরে মহানগরে নানা জায়গায় জমেছে জল। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ওপর তৈরি হয়েছে গভীর নিম্নচাপ।