তবে শুধু যশই নয় নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান করেন নুসরত জাহান। একটি মসজিদে একসঙ্গে ধরা দেন দুজনেই। সেখানে ওড়না মাথায় ঢাকা অবস্থায় দেখা যায় অভিনেত্রীকে। দুজনেই নিজেদের ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে সেই ছবি আপলোড করে লেখেন "রমজান মুবারক।" তারপর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। যশের এই কাজে ক্ষুব্ধ হতে দেখা গিয়েছে হিন্দুধর্মাবোলম্বীদের অনেককে। যদিও তাদের সংখ্যা অনেকটাই কম। অধিকাংশ মানুষের তাদের জানিয়েছেন শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
আচমকা প্রায় ১৬ মাস তাঁর হাতে কোনও কাজ নেই। অভিনেতার কথায়, 'পরিচালক-প্রযোজক বন্ধুরা, যাঁদের মধ্যে কেউ কেউ আবার শাসকদলের ঘনিষ্ঠ, তাঁরা পরিষ্কার করে বলেছেন বিজেপিটা ছেড়ে দে, নইলে তোকে কাজে নিতে অসুবিধা হচ্ছে।'
প্রসেনজিৎ কে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য চিরঞ্জিতের, তোলপাড় টলিপাড়া। চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর পিতা ছিলেন বিখ্যাত কার্টুনিস্ট শৈল চক্রবর্তী। এক্ষেত্রে তাঁর অনুপ্রেরণা অনেকটাই যুগিয়েছেন মানিক দা অর্থাৎ সত্যজিৎ রায়। সত্যজিৎ রায় ছাড়া তিনি একমাত্র ব্যক্তি যিনি সন্দেশ পত্রিকার প্রচ্ছদ শিল্পী ছিলেন। এমনকি তিনি আঙ্গুল দিয়ে ছবি আঁকতে পারতেন।
এরপরেই অন্য একটি এপিসোডে সকলের প্রিয় বুম্বাদার সঙ্গে দেখা যায় অনুরাগ বসুকে। তারকাকে প্রথমে তার ক্রাশ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ম্যাডোনা। এই পর্যন্ত ঠিক ছিল সমস্ত কিছু। তারপরেই যখন তার প্রথম ভালোবাসার মানুষটির পরিচয় জিগ্যেস করা হয়, কিছুটা থমকে গিয়ে তিনি বলেন, দেবশ্রী রায়। যা শুনে চমকে যায় সকলে। উল্লেখ্য, দেবশ্রী রায় প্রসেনজিতের প্রথম স্ত্রী। শুরুতে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও সময়ের সাথে সাথে বদলাতে থাকে পরিস্থিতি। একটা সময় ভাঙন দেখা দেয় দুজনের সম্পর্কে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে বুম্বাদা নতুন করে জীবন শুরু করলেও আগের মতোই থেকে যান দেবশ্রী।
ভুয়ো খবরে বিরক্ত স্ত্রী সংযুক্তা, প্রয়াত হয়েও শান্তি নেই অভিষেকের। মাত্র কয়েক দিন আগেই পরলোক গমন করেছেন অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। অভিষেকের আকস্মিক প্রয়াণে শোকাহত গোটা টলিপাড়া। অভিষেকের মৃত্যুর পর প্রয়াত অভিনেতাকে নিয়ে বিভিন্ন ভুয়ো খবরে বিরক্ত তাঁর স্ত্রী সংযুক্তা চট্টোপাধ্যায়। এই বিষয়ে সংযুক্তা ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট করেন।
বিমানে বন্দরে অন্তরঙ্গ নুসরত-যশ! ভাইরাল ভিডিও। নুসরতের জীবনে রয়েছে নানা টানাপোড়েন। তবে টলিউডে তাঁর দক্ষ অভিনয় জয় করেছে বহু মানুষের মন। নুসরতের ব্যক্তিগত জীবন সকলের সামনে জলের মতো পরিষ্কার। জীবনের কোনও সিদ্ধান্ত নিয়েই তিনি কখনও রাখ-ঢাক করেননি। সব কিছু খোলা মনে জানিয়েছেন।
দীর্ঘ নীরবতার পর মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ, শেষমেশ অভিষেক-প্রয়াণে টুইট করলেন বুম্বা দা। তবে শেষমেশ বিকেলে বন্ধুর প্রয়াণে নীরবতা ভাঙলেন বুম্বা দা। টুইটে লিখলেন, 'তোর বিকল্প হবে না কোনওদিন। ভাল থাকিস রে বন্ধু। বিশ্বাস-ই হচ্ছে না যে অভিষেক আর নেই কী বলব, কী লিখব… ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।'