শুধু রিলই নয়, সিদ্ধার্থের সঙ্গে বিস্তর কথাও হয় তৃণার। বলিউড অভিনেতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, 'মানুষ হিসেবে সিদ্ধার্থ খুবই ভালো। মাটির কাছাকাছি থাকতে ভালোবাসে। ও যে এত বড় একজন তারকা, সেটা একবারও বুঝতে দেয় না। খুব মিশুকে। কথা বলতে, আড্ডা দিতে ভালোবাসে। আমরা বাংলা গানেও একটা রিল করছি।'
তবে এই ঘটনা প্রথম নয়। মিমির দাবি, ২০১৯-এর চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চে তাঁর নাম অবধি সঠিক ভাবে বলা হয়নি। মিমি বক্তব্য, "আমি উপস্থিত। সঞ্চালকেরা সকলের নাম উচ্চারণ করলেন। অতিথি হিসেবে সম্ভাষণ করলেন। সেখানে আমার নাম নেই। ইন্ডাস্ট্রির সকলের নাম ডাকার পরে সব শেষে শুধু বলা হয়েছিল, ‘মিমিও আছে আমাদের সঙ্গে।' কাকতালীয় ভাবে ২০১৯-এর চলচ্চিত্র উৎসবেও চেয়ারম্যান ছিলেন রাজ চক্রবর্তী।"
অনুরাগীদের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের শিকার হলেন তিনি। প্রথমেই নুসরতের পোশাক নিয়ে আক্রমণ। 'ইদের দিনে এমন পোশাক পরে শুভেচ্ছা জানাতে আপনার লজ্জা করল না?' হাতকাটা সাদা পোশাক পরেছিলেন নুসরত। এটা তাঁর অপরাধ? কেউ প্রশ্ন করলেন 'আগে বলুন আপনি হিন্দু না মুসলমান?' কেউ লিখলেন, 'রমজান মাসে কেউ পিঠ খোলা পোশাক পরে ছবি দেয়! আপনার লজ্জা হওয়া উচিত।'
সেদিক থেকে বলা যায়, আজ 'ডার্বি' ম্যাচের আগে দেব একটু হলেও এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে, 'রাবণ' নিয়ে খানিকটা হলেও চাপে থাকবেন জিৎ। তবে দুই সুপারস্টারের কেউই সামনাসামনি এগিয়ে বা পিছিয়ে থাকার কথা স্বীকার করছেন না। দুজনেই বলছেন, বাংলা ইন্ডাস্ট্রির খারাপ সময় কাটাতে দুই ছবিই সুপারহিট হোক। এমনকি একে অপরকে টুইটে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন।
রণজয় বিষ্ণুর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কখনওই খুব একটা রাখঢাক করতে দেখা যায়নি অভিনেত্রীকে। মাঝেমধ্যেই তাঁরা একসঙ্গে এদিক ওদিক ঘুরতে যান। এমনকি গত মাসে রণজয়ের জন্মদিনও ধুমধাম করেই পালন করেছেন সোহিনী। সেই সোহিনীর সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়ালে এমন বিচ্ছেদ ও একা থাকার পোস্ট নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে তুমুল।