মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা বলছেন, নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে এই পরিস্থিতির ওপর নজর দিতে হবে এবং 'ভূতুড়ে ভোটার'দের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। তৃণমূলের কোর কমিটি এবং জেলা সভাপতিরা আগামী দিনে ভোটার তালিকা পরিষ্কার করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
বাংলার ভোটারের নামের সঙ্গে সব হরিয়ানা। বিজেপির ব্যবসা।এখানে বাংলার সংস্কৃতি চলবে না।বহিরাগত সংস্কৃতি চলবে? এখানে জাগরণ করতে হবে। ওরা বাংলা দখল করতে চায়। গঙ্গারামপুর ঢেলে করেছে। সব জেলাতেই এমন কেস আছে। হরিয়ানা ভর্তি। ভোটার লিস্ট নিয়েছে ঢুকিয়ে দিয়েছে।
এছাড়া, দলের নেতারা মনে করছেন, মমতার নেতৃত্বে দলের অভ্যন্তরে এক নতুন শক্তির উদয় হবে যা ২০২৬ সালের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করবে। রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী এই মহাসমাবেশের পর দলের সংগঠনে দৃশ্যমান পরিবর্তন আশা করা হচ্ছে।
এবারে, ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলেরই এক বিধায়কের বিরুদ্ধে এমন তীব্র মন্তব্যের ফলে পলাশিপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। মহুয়া মৈত্র ও মানিক ভট্টাচার্যর মধ্যে এই রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ভবিষ্যতে আরো জটিল হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।