মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বিধানসভার মুখ্য সচেতক তাপস রায়। একইসঙ্গে বার্তা দিলেন দলের প্রতি যারা আনুগত্য দেখিয়েছেন তাঁদের ওপর আস্থা রাখা। কলকাতার অন্দরেই তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল ঘিরে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়।
শাসক দলের অস্বস্তি যেমন বাড়িয়েছিল, ঠিক তেমনই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়িয়েছিল। কখনও অভিমানী আবার কখনও প্রতিবাদের সুর শোনা গেছে বরাহনগরের বিধায়কের মুখে। এবার ফের তাঁর বক্তব্য ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে। সকলকে নেতা ভাবার প্রয়োজন নেই। দাবি বর্ষীয়ান বিধায়কের।
সুর মেলালেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। বরাবর রাজনীতিতে কালারফুল ব্যক্তি মদন মিত্রের মুখে এধরনের কথা শুনে হতবাক তাঁর বিপক্ষ দলের নেতারাও। ২০২৬ এর পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ভাবনা রয়েছে মদন মিত্রের। রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন মদন? উঠছে প্রশ্ন।
প্রবীন নেতাদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, বয়সের একটা ঊর্ধ্বসীমা থাকা উচিত প্রবীণ নেতাদের বার্তা তাপসের । তিনি আরও বলেন, আমি নতুন প্রজন্মের কথা বলব, আর নিজে পদ আঁকড়ে থাকব হয় নাকি! তা থেকেই শুরু হয়েছে জল্পনা। তবে কী সত্যিই রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন প্রাক্তন বিধায়ক?
ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। এখন তিনি শুধুমাত্র বিধায়ক। দীর্ঘ সময় ধরে উত্তর কলকাতার সংগঠনও দেখতেন। এখন সেই তাপস রায় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াবেন? তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। নাকি দলের এই অবস্থার কারণেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
করোনা আক্রান্ত তাপস রায়। ফিরহাদ হাকিমের মেয়র শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি। দিনকয়েক ধরেই করোনার উপসর্গ দেখা দিয়েছিল বিধায়কের শরীরে। পরীক্ষা করানোর পর রিপোর্ট পজিটিভ আসে।