নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন। গত কয়েকদিন ধরে তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্য ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবারেও তাঁর একটি মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। যেখানে প্রবীন নেতাদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, বয়সের একটা ঊর্ধ্বসীমা থাকা উচিত প্রবীণ নেতাদের বার্তা তাপসের । তিনি আরও বলেন, আমি নতুন প্রজন্মের কথা বলব, আর নিজে পদ আঁকড়ে থাকব হয় নাকি! তা থেকেই শুরু হয়েছে জল্পনা। তবে কী সত্যিই রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন প্রাক্তন বিধায়ক?
আরও পড়ুনঃ Calcutta High Court: সরকারি কর্মচারীদের কোনও ডিএ বকেয়া নেই, আদালতে জানাল রাজ্য


গতকাল নিজের প্রিয় খেলোয়াড় গাওস্কারের কথা উল্লেখ করে তৃণমূলের বিধায়ক বলেন, গাওস্করের তুলনা দিয়ে বলি।উনি আমার খুবই প্রিয় খেলোয়াড়। যখন ওঁর হাতে পাঁচ-ছ’টা সেঞ্চুরি, তখন ব্যাট দোলাতে দোলাতে চলে গেলেন। কাউকে কিছু বলার সুযোগ দিল না। বরং নিজেই পরের খেলোয়াড়কে সুযোগ করে দিয়ে চলে গেলেন। তাঁর থেকেও তো আমাদের কিছু শেখার আছে!নিজের বক্তব্যে অটুট থেকে তিনি বলেন, শরীর সায় দিচ্ছে না। মস্তিষ্ক কাজ করছে না৷ তাই জনসংযোগ এবং রাজনীতি করাটা সম্ভব নয়৷

উল্লেখ্য, সম্প্রতি উত্তর কলকাতার সাংগঠনিক পদ থেকে তাপস রায়কে সরানো হয়েছে। সেই পদে আনা হয়েছে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রীসভার রদবদলেও জায়গা হয়নি তাপসের৷ সেকারণেই প্রাক্তন মন্ত্রীকে ঘিরে এই ধরনের মন্তব্য করছেন তিনি? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে।

এর আগে একটি ভাইরাল ভিডিওতে তাপস রায় বলছেন, আর কয়েকটা বছর হয়তো। বেশিদিন রাজনৈতিক কর্মী থাকার ইচ্ছাও নেই। থাকবও না। সেটা আমি গত নির্বাচনে যখন দাঁড়িয়েছিলাম তখনই বলেছি। এবার দলকে জানানো বা বলা শুধু।যখন তিনি একথা বলছেন, তখন তাঁর বক্তব্যকে অসমর্থন করেন দলের কর্মীরাই।


নতুন প্রজন্মের কথা বলে পদ ধরে রাখতে চাই না, তাপসের মন্তব্য ঘিরে জল্পনা

আপনারা ছাড়বেন না। কিন্তু আমি ছাড়ব। আমাকে ধরে রাখা খুব কঠিন। দলকে শুধু জানানোর বিষয়… তা দলকে জানিয়ে দেব… ঠিক সময় মতো। খুব শীঘ্রই দলকে নিজের সিদ্ধান্ত জানাবেন। এমনটাই জানিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক।







