তাদের জন্য এটি একটি বড় সঙ্কেত হতে পারে। এটি দেখিয়ে দেয় যে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি বা সম্মতি নিয়ে দীর্ঘ সময় একসঙ্গে থাকার পর সঙ্গীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা কঠিন হতে পারে। আদালত এই বিষয়ে সঠিক সময় ও পরিস্থিতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে।
তিলোত্তমার বাবা আরও জানান, তারা সিবিআই-এর ডিরেক্টরের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন এবং জানবেন কীভাবে এই মামলাটি দ্রুত এগিয়ে নেয়া যেতে পারে। তাদের দাবী, দ্রুত তদন্ত শেষ করে সঠিক বিচার নিশ্চিত করা।
আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি শুনানির পর, এই মামলার পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসবে এবং চাকরি প্রার্থীদের মধ্যে হতোদ্যমতা বা আশা বিরাজ করবে। তবে, এই মামলার শেষ রায় প্রার্থীদের জন্য অনেক বড় পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।
যদিও সাময়িক জামিন পেয়েছেন আসারাম, তবে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা এখনও চলমান। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে চলতে বাধ্য হবেন তিনি। এই ঘটনার পর সমাজে আইনের শাসনের গুরুত্ব আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে।
সিবিআই-এর তদন্তের ধীরগতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে হতাশা প্রকাশ করেছেন তিলোত্তমার বাবা-মা। তাঁরা আশা করছেন, নতুন আইনজীবী নিয়োগের মাধ্যমে মামলাটি আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা যাবে।
নতুন লেডি জাস্টিস মূর্তি সুপ্রিম কোর্টে স্থাপন একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নির্দেশে করা এই পরিবর্তন বিচারব্যবস্থার প্রতীকী অর্থকে আরও বাস্তব এবং সংবিধান ভিত্তিক করেছে।
সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানি হল। দুপুর দু'টোর সময় মামলাটি এজলাসে ওঠার কথা থাকলেও তা শুরু হতে হতে বেলা সাড়ে চারটে বাজল। এদিনের শুনানিতেও ডিভিশন বেঞ্চের কাছে তদন্তের একটি স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই।