অন্যদিকে, যোগ্য-অযোগ্য বাছাই করা সম্ভব, জানাল এসএসসি। রাজ্য জানাল,‘‘সিবিআইয়ের তথ্যের উপর ভরসা করা গেলে যোগ্য এবং অযোগ্যদের তালিকা আলাদা করা সম্ভব। আমাদের সার্ভার থেকে যে সব ওএমআর ডাটা মিলছে না সেগুলিও আলাদা করতে পারব।’’
আজ, সোমবার মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, রাজ্য়ের তরফে অতিরিক্ত তথ্য় পেশ করার জন্য ২ সপ্তাহ অতিরিক্ত সময় চাওয়া হয়। সেক্ষেত্রেই সুপ্রিম কোর্ট মামলার শুনানি একেবারে জুলাই মাস পর্যন্ত পিছিয়ে দিল।
রায় ঘোষণার পরদিনই দলে দলে চাকরিচ্যুতরা ভিড় জমিয়েছেন ধর্মতলায় গান্ধীমূর্তির পাদদেশে। তাঁদের সাফ প্রশ্ন, “সিবিআই-এর মতো সংস্থা যদি এতদিন ধরে তদন্ত করে যোগ্য অযোগ্য বাছতে অপারগ হয় তাহলে কি করে হবে?”
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল করেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি দেবাশিস বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শাব্বার রশিদির বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করে।