২০১৯ সালে এই আসনে জয় পাওয়া বঙ্গ বিজেপির অন্যতম প্রধান মুখ দিলীপ ঘোষকে প্রার্থী করা হয়েছে বর্ধমান-দুর্গাপুরে। সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা ছিল এরফলে বিজেপি কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে। যদিও এসব পরোয়া না করেই প্রচারে নেমে পড়েছে বিজেপি।
জনজাতির স্বীকৃতির দাবিতে লাগাতার পথ ও রেল অবরোধ করে চলেছে রাজ্যের কুড়মি সমাজ। এর মাঝে মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদীর সঙ্গে বৈঠক করেন কুড়মি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দল। মুখ্যসচিবের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ বৈঠক করে তারা। সেখানে একাধিক দাবি তুলে ধরে কুড়মি সমাজের প্রতিনিধিরা। রাজ্যের সঙ্গে বৈঠকে কোনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।
বুধবার সরকারের তরফে ৩ শতাংশ ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হলেও তা মানতে নারাজ সরকারি কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার মেদিনীপুরের সভা থেকে তা নিয়ে বলতে গিয়ে ফের কেন্দ্রের বঞ্চনার কথা তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বঞ্চনা করছে আর মিথ্যে কথা বলছে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মমতা।
আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে সভা রয়েছে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু তার আগে বিধায়ক জুন মালিয়ার ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা গেল শাসক দলের দুই নেতাদের। অভিষেকের সফরের আগে জুনকে নিয়ে বিবাদ দলকে নতুন সমস্যায় ফেলে দেবে না তো? উঠছে প্রশ্ন।
কাঁথির ময়দান থেকে বিজেপির উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, দরজা খুললে বিজেপি দলটাই উঠে যাবে। বলুন দরজা খুলব? আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, দরজাটা খুলে দিই। আগামী সপ্তাহে দরজাটা খুলি তা হলে ৫ সেকেন্ডের জন্য। আমি একটু ছোট্ট করে দরজাটা খুলতে চাই।
পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই গোষ্ঠী কোন্দল বেড়েই চলেছে। যা নিয়ে রীতিমতো প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে শীর্ষ নেতৃত্বকে। সাবধান করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঝগড়া করলে পার্টিতে স্থান নেই, সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু দলীয় কোন্দল থেকে এখনও অবধি রেহাই মিলছে না। এরই মধ্যে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিলেন জুন মালিয়া নিজে।