এক্সিট পোলের সঙ্গে এই ফল মিলে গেলেও বিজেপির এই জয়কে অপ্রত্যাশিত বলে দাবি করছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। সংসদীয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত যেমন চমকে দিয়েছিল রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। এখন হারের পর্যালোচনা করতে নেমে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন বর্ষীয়ান বাম নেতা। কেন বিধানসভার প্রধান বিরোধী দলের তকমা হারাল সিপিএম? বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তিনি।
দলের তরফে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয়েছে। তাই এই জয় তাঁকে সুনিশ্চিত করতে হত। সকাল থেকে নিজের কেন্দ্রে এগিয়ে ছিলেন। বেলা গড়াতেই টাউন বরদোয়ালি কেন্দ্রে জয়লাভ করে মুখ্যমন্ত্রী পদ সুনিশ্চিত করলেন মানিক সাহা। অন্যদিকে, বিজেপি থেকে ফিরেই চমক দেখালেন সুদীপ রায়বর্মন। আগরতলা আসনে বিরাট জয় কংগ্রেসের। চারটি বিধাকনসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৩ টি দখলের দিকে বিজেপি। একটি আসনে জয়লাভ করে চমক দিলেন সুদীপ।
চার কেন্দ্র সুরমা, বরোদোয়ালি, আগরতলা এবং যুবরাজনগরে রয়েছে নির্বাচন। এর মধ্যে বরোদোয়ালি কেন্দ্র প্রার্থী হয়েছে মানিক সাহা। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই বিজেপি বনাম বাম হলেও আগের চেয়ে সমর্থন বেড়েছে বলে মনে করছেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুবল ভৌমিক।
গতকালই পরিষদীয় দলের বৈঠকের পর রাজ্যপাল এসএন আর্যর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন তিনি। নির্বাচনে বাকি ১০ মাস, সদ্য রাজ্যসভার সাংসদ পদে নির্বাচিত এবং রাজ্য বিজেপির সভাপতিকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে বেছে নিলেন পরিষদীয় দলের নেতারা। যদিও সমর্থন নিয়ে জল্পনা বিস্তর রয়েছে।
মাত্র কয়েক ঘন্টার জন্য সারা দেশের বিরাট নজরে চলে এল ত্রিপুরা। কারণ, শনিবার হঠাৎ করেই ইস্তফা দিলেন বিপ্লব কুমার দেব। ত্রিপুরার রাজ্য সভাপতি মাণিক সাহাকেই বেছে নিল পরিষদীয় দল। কিন্তু এই পর্ব এতটা সহজ ছিল না। তবুও সমস্ত জল্পনা পার করে মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই মাণিক সাহাকে পরবর্তী ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে দিল বিজেপি। ত্রিপুরায় 'মাণিক' এল ফিরে।
ত্রিপুরার গদিতে মাণিক ফিরছেন। অথবা উপ-মুখ্যমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী পদে আসতে পারেন জিষ্ণু দেববর্মা। তবে মাণিক সাহার পাল্লাভারী বলেই মনে করা হচ্ছে। পিছিয়ে নেই কেন্দ্রিয় মন্ত্রী প্রতীমা ভৌমিকও।