তবে আধিকারিকদের অনেকে বলছেন, মার্চের শুরু থেকা এই মেট্রো পরিষেবা চালু করার কথা থাকলেও তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। কারন সিআরএস আধিকারিকদের পরিদর্শনের পর কোনও ত্রুটি দেখা দিলে তা সমাধান করে ছাড়পত্র মিলতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে। যারফলে আগামী পয়লা বৈশাখ থেকেই হয়তো শুরু হবে এই পরিষেবা।
সেইমতো সকল যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে আধুনিকতার ছোঁয়া থাকছে স্টেশন জুড়ে। রাখা হচ্ছে অধিক পরিমানে টিকিট কাউণ্টার। বসানো হচ্ছে প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিনডোর সিস্টেম। সেইসঙ্গে নাকি রাখা হতে পারে ডবল ডিসচার্জ প্ল্যাটফর্ম সিস্টেম।
কলকাতা মেট্রোয় বিভ্রাট, বিপর্যস্ত পরিষেবা! সোমবার অফিস বেরনোর আগে জানুন কি পতিস্থিতি। রবিবার সকালে আচমকাই আংশিক বন্ধ হয়ে যায় কলকাতার মেট্রোরেল পরিষেবা। দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। পরে প্রায় এক ঘণ্টা পর ফের চালু হয় মেট্রো। তবে দক্ষিণেশ্বর থেকে দমদম পর্যন্ত মেট্রো চলাচল প্রথম থেকেই স্বাভাবিক ছিল। লাইনে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়ার কারণে এমনটা হয় বলে শোনা যায়।
ছাড়পত্র পাওয়ার শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষায় এখন। কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি বা সিআরএস এর আগামী ১৫ ই মার্চ স্টেশনটি পরিদর্শনে আসার কথা রয়েছে। তাদের তরফ থেকে ছাড়পত্র মিললেই এবার শিয়ালদহ স্টেশন খুলে যাবে যাত্রীদের জন্য।
ফলে সুবিধা হবে যাত্রীদের। আগে প্রতি রবিবার আপ ও ডাউন মিলিয়ে ১২০টি মেট্রো যাতায়াত করত। কিন্তু এবার তা বেড়ে হচ্ছে ১২৮। এর অর্থ, ৮বার অতিরিক্ত পরিষেবা পাবেন যাত্রীরা। ফলে ছুটির দিনেও মেট্রো পেতে খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে না।
মেট্রো সূত্রে খবর, আগেই ছিল একই রকম সমস্যা। আগে এতটা ভয়াবহ আকৃতি না থাকায় তা সামনে আসেনি। তবে কালকের পর থেকেই নড়েচড়ে বসেছে সকলে। এবার বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে আইসিএফের নতুন এবং পুরনো রেক গুলিতে। মূলত কোন ধরনের রেকে বেশি দেখা দিচ্ছে এই সমস্যা তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি চাকার উপাদান গুলিকে রাখা হচ্ছে নজর।
তবে এখানেই শেষ নয়। যাত্রীরা লোকাল ট্রেন থেকে নেমেই যাতে মেট্রো স্টেশনে আসতে পারেন সেজন্য থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা। বলা যায় সমস্ত কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মার্চের মাঝামাঝিতেই শুরু হতে পারে শিয়ালদহ মেট্রো পরিষেবা।