আগামী ৮ তারিখ রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশের সাথে সাথেই রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকে ভেসে আসছে হিংসা খুনোখুনির মতো ঘটনা। ভাঙড় থেকে দিনহাটা, দত্তপুকুর থেকে খড়দহ- তালিকাটা সত্যিই লম্বা। কোথাও বিরোধীদের অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে, আবার কোথাও শাসক দলের অভিযোগ বিরোধীদের দিকে। ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক হিংসায় মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। আর এই মুহূর্তে যেখানে যেখানে সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে সেই এলাকাগুলি পরিদর্শনে যাচ্ছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। আর ঠিক এই জায়গাতেই আপত্তি রয়েছে শাসক দল তৃণমূলের। তাঁদের বক্তব্য, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার ভার রাজ্যের প্রশাসনের এবং কমিশনের, রাজ্যপালের নয়। তাই রাজ্যপাল এই সব ঘটনায় গিয়ে নিজে তদন্তের ভার নিতে পারেন না বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছে তৃণমূল।
কলকাতা, যাদবপুর, কল্যাণী, বাঁকুড়া, বর্ধমান, সিধো-কানো-বিরসা বিশ্ববিদ্যালয় সহ ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করেন রাজ্যের আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। প্রথম থেকেই এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দফতরের সঙ্গে বিনা আলোচনায় এই নিয়োগ করা হয়েছে। এমনকি নবনিযুক্ত উপাচার্যদের নিয়োগপত্র গ্রহণ না করার আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি।
প্রয়াত রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। রবিবার ভোরে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্য়াগ করেন। ৮৮ বছর বয়সে দেহাবসান হয় তাঁর । পশ্চিমবঙ্গের ২০ তম রাজ্য়পাল ছিলেন তিনি।
সবেমাত্র বাংলার রাজ্যপাল পদে শপথ নিয়েছেন ডঃ সিভি আনন্দ বোস। এরই মধ্যে তাঁর কাছে রাজ্যের শাসক দলের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে ভুরি ভুরি। তারপরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ সারলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নয়া রাজ্যপালের সাক্ষাৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু চাপানুতোর।
জাল আইএএস অফিসার দেবাঞ্জন দেবের জাল টিকা কাণ্ড প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যে। একই সঙ্গে এই ঘটনা নিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে রাজ্য রাজনীতিতে। প্রতারক দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে একাধিক মন্ত্রীদের সঙ্গে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। সেই ছবিকে হাতিয়ার করে রাজ্য সরকারের দিকে আঙুল তুলেছে বিরোধীরা।