যদি তা মানুষের জন্য উপকারী না হয়। এই পরিস্থিতিতে চাকরিপ্রার্থীরা সরকারের কাছে তাদের দাবি তোলার জন্য প্রতিবাদ করছেন এবং তাদের ‘বেকার মেলা’ আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
স্কুলশিক্ষা কমিশন সূত্রে খবর, বিষয়টি পুরোপুরি স্কুলশিক্ষা দপ্তরের নীতিগত সিদ্ধান্ত। দপ্তরের পাশাপাশি বিভাগের আইন শাখার নির্দেশ মেনেই শিক্ষকদের ক্যাটেগরি বিভাজনের কাজ করা হচ্ছে। অবশ্য একাধিক ডিপিএসসি-র চেয়ারম্যানের বক্তব্য, স্কুলশিক্ষা দপ্তরের এই সিদ্ধান্তে রাজ্য সরকার সমস্যায় পড়তে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা আদালতের দ্বারস্থ হলে, তা নিয়ে জটিলতা বাড়বে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় কন্যা সন্তানদের পড়াশোনায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছেন।পুরো রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াটি অনলাইনে করতে হবে বলে জানা গিয়েছে।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার সিবিআই স্ক্যানারে শিক্ষা দফতরের ৭-৮ জন আধিকারিক। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কেবল নেতা মন্ত্রীদের কাছে নয় দুর্নীতির কালো টাকা গিয়েছে সরকারি আধিকারিকদের অ্যাকাউন্টে।
জেলায় জেলায় অজস্র বেআইনি নিয়োগ। গ্রুপ ডি নিয়োগ দুর্নীতিতে রীতিমতো এক জেলা অন্য জেলাকে টক্কর দিয়েছে। আদালতের নির্দেশে এস এস সি গ্রুপ ডি নিয়োগের তদন্তভার নিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের তদন্তে উঠে এসেছে ১ হাজার ৬৯৮ জনের নিয়োগের অস্বচ্ছ্বতা। এদিকে এসএসসি-র প্রকাশিত তালিকায় প্রার্থীদের নাম, তাঁরা কোন স্কুলে নিয়োগ পেয়েছেন তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর সেই তালিকা অনুযায়ী কোন জেলায় কত বেআইনি নিয়োগ?