হাওয়াই মিঠাই চেনেন না এমন মানুষ এই সারা বিশ্বে নেই বললেই চলে। বিশেষ করে বাঙালীরা। তারা ছোটওথেকেই বড় হয় হাওয়াই মিঠাই খেয়ে। কখনও মেলায় কিংবা কখনও রাস্তা ঘাটে মাঝে মাঝেই দেখা পাওয়া যায় হাওয়াই মিঠাইয়ের। তবে শুধু বাঙালীদের বললে ভুল হবে বিশ্বে এমন অনেক দেশ রয়েছে যেখানে হাওয়াই মিঠাই পাওয়া যায়।
জেল থেকেই অভিযোগ জানিয়ে আদালতে চিঠি দিয়েছিলেন তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা কুন্তল ঘোষ! আর সেই চিঠি সংক্রান্ত বিষয়ের জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত! যার জেরে সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু সেই চিঠি নিয়ে এখনও জল্পনা শেষ হয়নি! এবার সেই জল্পনার জেরেই প্রেসিডেন্সি জেলের চিকিৎসককে তলব করল সিবিআই।
কাঁচালঙ্কা ছাড়া খাবারের স্বাদ যেন সম্পূর্ণ হয়না। কাঁচালঙ্কা যেমন খাবারের স্বাদ বাড়ায় তেমন তার রয়েছে একাধিক উপকারিতা। তবে কাঁচালঙ্কা খেতে অনেক মানুষ ভালবাসেন। তবে বেশ কিছু মানুষ কাঁচালঙ্কা খান না। তবে এর উপকারিতা জানার পর যারা কাঁচালঙ্কা খান না তারাও খেতে বাধ্য হবে।
এখনও চলছে গরমকাল। সামনে গেল জামাইষষ্টি । আম, জাম। কাঁঠাল, তরমুজ থেকে শুরু করে সমস্ত ফল কিনলেও বাতিলের খাতায় ফেলছেন জামরুল কে? আমাদের দেশ থেকে প্রায় ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে এই ফল। বাঙালিদের মধ্যে এই ফল খাওয়ার ঝোঁক ও কম।
ফের সামনে এল এক নিন্দনীয় ঘটনা সামনে এল! হাসপাতাল সহকর্মীর দ্বারা শ্লীলতাহানির শিকার হলেন অন্য এক ডাক্তার। বৃহস্পতিবার শ্লীলতাহানির অভিযোগ আরজিকর হাসপাতালে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে! এই ঘটনায় টালা থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ হয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
"অনেক হাসপাতাল হচ্ছে। যেখানে ডাক্তার, নার্স নেই। ডাক্তারদের একটা ডিপ্লোমা কোর্স চালু করা যায় কি না দেখো ইঞ্জিনিয়ারদের মতো। তাহলে অনেক ছেলেমেয়ে ডাক্তারি ডিপ্লোমা কোর্সের সুযোগ পাবে।" ডিপ্লোমা কোর্সের মাধ্যমে পাশ করা ডাক্তারদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রাখা যাবে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রস্তাব খতিয়ে দেখতে রাজ্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং স্বাস্থ্যকর্তাদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে রাজ্য সরকার।
নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘অনেক হাসপাতাল হচ্ছে, যেখানে ডাক্তার নেই, নার্স নেই। ডাক্তারদের একটা ডিপ্লোমা কোর্স চালু করা যায় কি না দেখো, ইঞ্জিনিয়ারদের মতো। তাহলে অনেক ছেলেমেয়ে ডাক্তারি ডিপ্লোমা কোর্সের সুযোগ পাবে।’ মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "পাঁচ বছর ধরে প্রশিক্ষণের পর আমরা যে অরিজিনাল ডাক্তার পাচ্ছি, তাদের অনেকটা সময় যাচ্ছে, পড়াশোনা করতে হচ্ছে, পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। কিন্তু হাসপাতাল বাড়ছে, বেড বাড়ছে, লোকসংখ্যা বাড়ছে। এতে যদি সমান্তরালভাবে একটি ডিপ্লোমা কোর্সের ব্যবস্থা থাকে তাহলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে কাজে লাগানো যায়।"