স্বাদ-গন্ধ না হারালেও আক্রান্ত হচ্ছেন কোভিডে, কি বলছেন গবেষকরা। কোভিডে সংক্রমিত হলে সকলেই স্বাদক্ষমতা ও ঘ্রাণশক্তি হারান না। কেউ কেউ তা হারিয়ে ফেলেন। কোভিড রোগীদের উপসর্গের কেন এই তারতম্য, তার সম্ভাব্য একটি কারণ গবেষণায় এ বার জানা গেল। তা হল, এই তারতম্যের জন্য মানবদেহের দায়ী বিশেষ দু’টি জিনের অতি সক্রিয়তা। মানুষের স্বাদক্ষমতা ও ঘ্রাণশক্তির ক্ষেত্রে এই জিনদু’টির ভূমিকা রয়েছে।
ওমিক্রনের মূল লক্ষণ গলা ব্যথা, তবে স্বাদ-গন্ধও হারিয়েছেন ১৩ শতাংশ। শুরু হয়েছে ২০১৯ থেকে, যার শেষ এখন হয়নি। কবে হবে কেউ জানেনও না। ডেল্টা থেকে ওমিক্রন, আগমনের পর থেকেই একের পর এক রূপ বদল করেছে কোভিড। সঙ্গে বদলে গিয়েছে রোগের কিছু উপসর্গও। প্রথম রূপগুলির সংক্রমণে কোভিডের অন্যতম উপসর্গ ছিল গন্ধ ও স্বাদের অনুভূতি হারিয়ে ফেলা।
কোভিডের প্রভাবে দেড় ইঞ্চি কমেছে যুবকের লিঙ্গের দৈর্ঘ্য, মাথায় হাত গবেষকদের। কোভিড শান্তি দিচ্ছেনা কোন ভাবেই, শুধুমাত্র শ্বাসযন্ত্র নয় কোভিডের ধাক্কায় শরীরের অন্যান্য অঙ্গেরও মারাত্মক ক্ষতি হয় বলে দীর্ঘ দিন ধরেই দাবি করে আসছিলেন বিশেষজ্ঞরা। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হল পুরুষদের যৌনাঙ্গও।
বিশেষজ্ঞের দাবি সবার টিকাকরণ অসম্ভব, কোভিডকে নর্মাল ফ্লু হিসেবেই দেখতে হবে। ইংল্যান্ডের সরকারের ভ্যাকসিন টাস্কফোর্সের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ক্লাইভ হালের বক্তব্য, ইংল্যান্ডকে এবার ‘নিউ নর্মালিটি’তে যেতে হবে। সেখান আর সবাইকে টিকা দেওয়া যাবে না। কোভিডকে এবার ফ্লু হিসাবে ভাবতে হবে। আর তাতেই নাকি শেষ হবে এই রোগটির উপদ্রব।
'পজিটিভ' হলে কতদিন আইসোলেশনে থাকতে হবে? জানুন রাজ্যের নয়া নিয়ম। আর এই আবহে আইসোলেশনের নিয়ম বদল করল রাজ্য সরকার। নয়া বিজ্ঞপ্তিতে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয় যদি কোনও করোনা রোগীর টানা তিনদিন জ্বর না আসে, তাহলে ৭ দিন পর্যন্ত আইসোলেশনে থাকলেই হবে। পরবর্তী আর কোনও করোনা পরীক্ষা করাতে হবে না।
ভয়াল করোনার গ্রাসে রাজ্য, স্থগিত বিধানসভার যাবতীয় বৈঠক। নেতা-মন্ত্রী, অভিনেতা-অভিনেত্রী সহ সমস্ত পেশার মানুষ এবং সাধারণ মানুষও আক্রান্ত হচ্ছে কোভিডে। করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতিতে একে একে বন্ধ হচ্ছে সরকার-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলি। সেই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার যাবতীয় বৈঠক অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হল। বুধবার এই মর্মে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিধানসভার সচিবালয়।