একসময় টলিউডে অন্যতম জনপ্রিয়ব জুটি ছিলেন প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার জুটি। ৯০ দশকে এই জুটি একের পর এক হিট সিনেমা আমাদের উপহার দিয়েছেন। শুধু তাই নয় বক্স অফিসে তাঁদের করা মুভি গুলি চুটিয়ে ব্যাবসা করেছে। কিন্তু একের পর এক হিট মুভি করতে করতে কেন দুজন দুজনের সাথে জুটি বাঁধা বন্ধ করে দিলো। অবশেষে সামনে এলো তথ্য।
ইদানিং কালে সলমন হোক, শাহরুখ হোক কিংবা আমির। কেউই দর্শক দের মন কারতে পারছে না। বক্স অফিসে পর পর তাঁদের বেশিরভাগ মুভি মুখ থুবড়ে পড়ছে। অনেকে আবার দাবী জানিয়েছে। তাঁদের বয়েস হয়েছে, তাঁদের আর নায়কের চরিত্রে নিতে পারছেনা দর্শকরা। সম্প্রতি তাঁর একটি জলজ্যান্ত উদাহরণ হল কিসি কা ভাই কিসি কি জান এর ব্যাথতা।
গত বছর এই ছবির টিজার মুক্তির পর ও একাধিক জটিলতার সম্মুখিন হয়েছিল আদিপুরুষ। রাবনের চরিত্রে অভিনয় করেছিল সইফ আলি খান। তাঁর সাজ সজ্জা নিয়ে সেই সময় তুমুল সমলোচণা ওঠে। আবার ফের পোস্টার মুক্তির পর সীতার সিথিতে সিদুর না থাকায়, এবং রাম এবং লক্ষনের পৈতে না থাকায় ফের আইনি জটিলতার মুখে পরল আদিপুরুষ।
চিত্রনাট্যকার জানিয়েছেন সে ইদের আগেই ছবি শুরুর তারিখ জানানো হবে, তবে এর মধ্যে মহাগুরুর আরও কয়েকটি ছবির শুটিং রয়েছে তাই সব কিছুর মধ্যে তিনি সময় যেভাবে বের করতে পারবে সেই সময়ই কাজ হবে ছবির।
মানসিক অশান্তির মূলেই ওয়েব সিরিজ, এর থেকে রেহাই পাবেন কি করে? ঘরবন্দি হওয়ার পর যে সমস্ত অভ্যাস আমাদের জরুরি সময়ের মধ্যে থাবা বসাচ্ছে, তার মধ্যে একটি হল সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি বাড়তে থাকা আসক্তি। এই আসক্তির ফলে ঘটছে স্বাস্থ্যহানি, তেমনই মানসিক দিক থেকে তৈরি হচ্ছে একাধিক জটিলতা।
বিজেপির 'মিথ্যাচারের' প্রতিবাদে 'অরাজনৈতিক' মিছিলে পথে নামলো টলিপাড়া। বর্তমান টলিপাড়ার বেশ কিছু কলাকুশলীরা বিজেপির কর্মী। তাদের বরাবরের অভিযোগ "টলিউডে মাফিয়ারাজ চলছে"।