রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় ৩০ বিধানসভা আসনে ভোট গ্রহণ হবে এপ্রিল মাসের ১ তারিখে। ওই ৩০ আসনের মধ্যে সারা দেশের মানুষের নজর পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের দিকে। এই আসনে মুখোমুখি লড়াই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর।
আগামী ১ এপ্রিল রাজ্যের ৩০টি আসনে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়। আর এই দ্বিতীয় দফাতে এবার কম সংখ্যায় মোতায়ন করা হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী সে কথা স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিল নিরবাচন কমিশন। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পিছনে যে কারণ আছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা তা হল নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা।
পক্ষপাতিত্ব কেন্দ্রীয় বাহিনীর! সুষ্ঠ এবং নিশ্চিদ্র পাহারার স্বার্থেই রাজ্যে এসেছে বিপুল পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কয়েকমাস ধরে নিজেদের ডিউটি জায়গায় রুট মার্চ করে চিনে নিয়েছেন এলাকা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে কথা ছিল শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের।
নিরাপত্তার চাদরে নিজেকে মুড়ে আগামীকাল প্রথম দফা ভোটের জন্য প্রস্তুত রাজ্য। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল শুরু হতে চলেছে রাজ্যের আট দফা ভোটগ্রহনের প্রথম দফা।
স্পর্শকাতর বুথে ১০০ শতাংশ কেন্দ্রীয় বাহিনীর স্পষ্ট নির্দেশ নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের। রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে ফের নতুন নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন।
রাজ্য পুলিশের কর্মীরা ঢুকতে পারবেন না, বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে থাকবে শুধুই কেন্দ্রীয় বাহিনী! কমিশন সূত্রে খবর মিলেছে এই রকমই। সূত্রের দাবি, কমিশনের কাছে একাধিক অভিযোগ জমাপড়েছে ভোট লুঠ এবং বুথ দখলের আশঙ্কার কথা জানিয়ে।
যুদ্ধ ভোটের না বর্ডারের! বোধগম্য হচ্ছেনা রাজ্যের শান্তিপ্রিয় মানুষদের। আগামি ২৭ মার্চ থেকে রাজ্যে শুরু ভোট গ্রহণ। মোট ৮ দফায় ২৯৪ টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ভোটাররা। ৮টি দফার মধ্যে প্রথম দফায় ভোট গ্রহন হতে চলেছে আগামী ২৭ তারিখে। ৪টি জেলার ৩০ টি আসনে হবে ভোট গ্রহণ।