যুদ্ধ ভোটের না বর্ডারের! বিধানসভা পিছু ৩২ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন পূর্ব মেদিনীপুরে।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ যুদ্ধ ভোটের না বর্ডারের! বোধগম্য হচ্ছেনা রাজ্যের শান্তিপ্রিয় মানুষদের। আগামি ২৭ মার্চ থেকে রাজ্যে শুরু ভোট গ্রহণ। মোট ৮ দফায় ২৯৪ টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ভোটাররা। ৮টি দফার মধ্যে প্রথম দফায় ভোট গ্রহন হতে চলেছে আগামী ২৭ তারিখে। ৪টি জেলার ৩০ টি আসনে হবে ভোট গ্রহণ। বিধানসভা গুলি হল- পটাশপুর, কাঁথি উত্তর, ভগবানপুর, খেজুরি, কাঁথি দক্ষিণ, রামনগর, এগরা, দাঁতন, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, কেশিয়াড়ি, খড়গপুর, গড়বেতা, শালবনি, মেদিনীপুর, বিনপুর, বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুন্ডি, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পারা, রঘুনাথপুর, শালতোড়া, ছাতনা, রানিবাঁধ, রাইপুর।

আরও পড়ুনঃ প্রার্থী হতে রাজি নন “বাংলার ছেলে”! BJP’র হয়ে শুধু প্রচার করবেন মিঠুন।

এই নির্বাচনকে কার্যত নিখুঁত এবং সন্ত্রাস মুক্ত করার প্রচেষ্টায় নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা নির্বাচনের দিন ঘোষণার আগেই দফায় দফায় ঘুরে গেছেন বাংলা থেকে। নির্দেশ দিয়ে গেছেন সর্বস্তরের প্রশাসনিক কর্তাদের। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ভোট করাতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে এতটা কড়াকড়ি সম্ভবত আগে দেখেনি রাজ্য। এই নির্বাচনে সেক্টর অনুযায়ী বুথ অনুযায়ী বাহিনী প্রস্তুত করছে নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফাতে পূর্ব মেদিনীপুরের জন্যে ৭ টি আসন রয়েছে, সেই আসনগুলিতে যা কড়াকড়ি নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করা হচ্ছে তা নজিরবিহীন।

যুদ্ধ ভোটের না বর্ডারের! কমিশন সূত্রে খবর শুধু স্পর্শ্বকাতর বুথ নয়, সব বুথেই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা থাকবে। সূত্রের খবর, নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হবে নন্দীগ্রাম সহ পূর্ব মেদিনীপুরকে। ২ দফায় ভোট মেটা পর্যন্ত এই জেলায় থাকবে ২২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী! অর্থাৎ বিধানসভা পিছু প্রায় ৩২ কোম্পানী আধাসেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। শুভেন্দু বনাম মমতার যুযুধান লড়াই ঘিরে উত্তপ্ত পূর্ব মেদিনীপুরের মাটিতে সংঘর্ষ এড়াতেই এই পদক্ষেপ। শনিবার রাজ্যের জেলাশাসকদের সঙ্গে একটি ভিডিও কনফারেন্স করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সেখানেই নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়।

শনিবার রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সঞ্জয় বসু জানিয়েছেন, শুক্রবার ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। মোট ১৭৭টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ৩০ টি বিধানসভার জন্যে। এদিকে এই মুহূর্তে রাজ্যে আছে ৭২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী যা আরও বাড়ানো হতে পারে বলে খবর। কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম দফার ৩০ আসনে ভোট গ্রহণের জন্যে তাঁরা ৭৩২ কোম্পানি কেন্দীয় বাহিনী প্রয়োজন বলে মনে করছে। এবার বিষয় হল এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে ৮০ থেকে ২২৫ জন জওয়ান থাকেন প্রয়োজনের ভিত্তিতে। সূত্রের খবর শুধু বুথ বা তাঁর আশেপাশে নয়। এলাকার মধ্যে কাউকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে কিনা তাও নজরে রাখবে বাহিনী।

কমিশন সূত্রের দাবি সবথেকে কড়াকড়ি করা হচ্ছে পঞ্চম দফায়। এই দফাতে মোট আসন সংখ্যা ৪৫। এই ৪৫ টি আসনে ভোট করানোর দায়িত্ব থাকবে ৯৫৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোট নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে থাকছে সিআরপিএফ, সিআইএসএফ, বিএসএফ, এসএসবি, আইটিবিপি জওয়ানরা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন