নজরবন্দি ব্যুরোঃ আগামী ১ এপ্রিল রাজ্যের ৩০টি আসনে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়। আর এই দ্বিতীয় দফাতে এবার কম সংখ্যায় মোতায়ন করা হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী সে কথা স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিল নিরবাচন কমিশন। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পিছনে যে কারণ আছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা তা হল নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা। প্রথম দফার ভোটে বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ নেই জমি,প্রায় ৪১ লক্ষ টাকার দেনা রয়েছে, হলফনামায় জানালেন প্রার্থী সায়ন্তিকা ।
বিরোধীদের অভিযোগ ছিল বিভিন্ন ভাবে এই বাহিনী ভোট কে প্রভাবিত করেছে। ফলে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার কিছুটা ব্যাকফুটে কমিশন। অপর দিকে কমিশনের যুক্তি হল এই রকম কোন ব্যাপার না, কেন্দ্রীয় বাহিনী কমানোর এক মাত্র কারণ হল দ্বিতীয় দফায় যে সব এলাকায় ভোটগ্রহণ করা হবে তার একটিও মাও অধ্যষিত এলাকায় নয়। তাই মাওহানা ঠেকাতে প্রথমদফায় যে বাড়তি বাহিনী নামানো হয়েছিল তা আর নামানো হবে না।
এর সঙ্গে বাহিনী বিতর্কের কোনও সম্পর্ক নেই। প্রথম দফাতে ভোট হয়েছিল ৩০ টি আসনে সেখানে বাহিনী মোতায়ন ছিল ৭৩০ কোম্পানি। আর দ্বিতীয় দফাতেও ভোট হবে ৩০ টি আসনে কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন থাকবে ৬৯৭ কোম্পানি। স্বাভাবিক ভাবেই তাই অনেকেই মনে করছেন বিতর্কের জেরে এবার পিছু হটল কমিশন। দ্বিতীয় দফায় যে জেলা গুলিতে ভোট হবে সেখানে বাহিনী মোতায় থাকবে এই ভাবে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৯টি আসনের জন্য মোতায়ন থাকবে ১৮৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
পশ্চিম মেদিনীপুরের ৯টি আসনের জন্য মোতায়ন থাকবে ১৯৮ কোম্পানি। বাঁকুড়ার ৮টি আসনের জন্য মোতায়ন থাকবে ১৬১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৪টি আসনের জন্য ৮৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন থাকবে । বাকি ৬১ কোম্পানির মধ্যে কিউরিটি কভার পোস্টাল ব্যালট টিমে থাকবে ৪৯ কোম্পানি, স্ট্রং রুমের নিরাপত্তার জন্য ৭ কোম্পানি ও মনিটরিং ফর পোস্ট পোলের জন্য ৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।



