সূত্রের খবর, কাল অর্থাৎ আগামী ২৬ তারিখ থেকে দু-তিন দিনের জন্য কমবে দুই বঙ্গে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সাময়িকভাবে। কিন্তু আগামী শুক্রবার অর্থাৎ ২৯ তারিখ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরের ওপর আবার একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। এর প্রভাবে ফের আগামী ২৯ তারিখ থেকে বৃষ্টি বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। এমনটাই জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
নতুন করে ফের ঘূর্ণাবর্তের ভ্রুকুটি দেখা দিয়েছে। তাছাড়াও সামনের মাসে অর্থাৎ পুজোর মুখে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের! এমনটাই জানিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া দফতর। পাশাপাশি ওই ঘূর্ণিঝড়ের গতিবিধির ওপর নজর রাখছেন আবহবিদেরা। তাদের ধারণা এই ঘূর্ণাবর্ত থেকে নিম্নচাপ শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।
বিগত ২-৩ দিন ধরেই রাজ্য জুড়ে আকাশের মুখভার। প্রায় সারাদিনই মেঘলা আকাশ। ভারী বর্ষণ না হলেও সারাদিন ধরেই একটানা বৃষ্টিতে ভিজেছে তিলোত্তমা নগরী। আর এই বৃষ্টির দাপট এখনই কমার নয়। অর্থাৎ আগামী সোমবার পর্যন্ত চলবে এই বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের কারণেই আগামী কয়েকদিন বৃষ্টির দাপট বজায় থাকবে।
সোমবার ঘূর্ণাবর্ত দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। আর তারপরেই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। কিন্তু এই ঘূর্ণিঝড়ের অন্ধ্রপ্রদেশে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা কম। তা হলে কোথায় আছড়ে পড়তে পারে ‘মোকা’? তামিলনাড়ু, ওড়িশা না কি পশ্চিমবঙ্গ?
আবার বাংলার বুকে ধেয়ে আসছে আরও এক নতুন ঘূর্ণিঝড়! শুধু তাই নয় এই ঘূর্ণিঝড় নাকি আমফানের থেকেই আরও বেশি ভয়ংকর হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, আগামী মে মাসেই বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে!
ফের দুর্যোগের সংকেত। ফের ঝড়ের মুখে বঙ্গোপসাগরের পূর্ব উপকূলবর্তী রাজ্যগুলি। আবার নিন্মচাপের ভ্রুকুটি। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ।